Thailand

দক্ষিণ কলকাতার স্পা সেন্টারে অবৈধভাবে কাজ! পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার থাইল্যান্ডের তরুণী

ওই তরুণীর নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালেই ভারতে তাঁর টুরিস্ট ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২৬, ১৩:৩০

options
link
দক্ষিণ কলকাতার স্পা সেন্টারে অবৈধভাবে কাজ! পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার থাইল্যান্ডের তরুণী
অবৈধভাবে বসবাস-কাজের অভিযোগ, কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার থাইল্যান্ডের তরুণী, ছবি: প্রতিদিন গ্রাফিক্স

শরীরচর্চা থেকে সাজগোজ, শহর কলকাতায় থাই স্পা সেন্টারের রমরমা বেড়েছে গত বেশ কয়েকবছর ধরেই। এসব স্পা-এর আড়ালে অবৈধ কাজকর্মের অভিযোগও উঠেছে। এবার বেআইনিভাবে শহরে থেকে স্পা সেন্টারে কাজ করার অভিযোগে থাইল্যান্ডের তরুণীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। নির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে দক্ষিণ কলকাতার শরৎ বোস রোডের একটি স্পা-এ হানা দিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে তিলজলা থানা। জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালে ওই তরুণীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি ওই স্পা সেন্টারে কাজ করছিলেন। আজ তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।

Advertisement

১৫ সি শরৎ বোস রোডে ‘সবাই নমস্তে স্পা’ নামে একটি স্পা সেন্টার রয়েছে। রবিবার সেখানে হানা দেয় কলকাতা পুলিশের দল। ব্যাংককের বাসিন্দা এম সাংসুকনিউত নামে এক মহিলার খোঁজ পাওয়া যায় সেখানে। তিনি ভারতে থাকার কোনও বৈধ নথি দেখাতে পারেননি। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে টুরিস্ট ভিসা নিয়ে এদেশে এসেছিলেন। একবছর পর অর্থাৎ ২০২১-এই তা শেষ হয়ে যায়। পাসপোর্ট দেখে পুলিশ জানতে পারে, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ১৫ সি শরৎ বোস রোডে ‘সবাই নমস্তে স্পা’ নামে একটি স্পা সেন্টার রয়েছে। রবিবার সেখানে হানা দেয় কলকাতা পুলিশের দল। ব্যাংককের বাসিন্দা এম সাংসুকনিউত নামে এক মহিলার খোঁজ পাওয়া যায় সেখানে। তিনি ভারতে থাকার কোনও বৈধ নথি দেখাতে পারেননি। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে টুরিস্ট ভিসা নিয়ে এদেশে এসেছিলেন। একবছর পর অর্থাৎ ২০২১-এই তা শেষ হয়ে যায়। পাসপোর্ট দেখে পুলিশ জানতে পারে, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। কিন্তু তারপরও তিনি কলকাতার চৌবাগা এলাকায় থেকে যান এবং শরৎ বোস রোডের স্পা সেন্টারে কাজ চালিয়ে যান।

Advertisement

কোনও বৈধ নথি ছাড়া এভাবে কলকাতায় থাকা এবং কাজ করার জন্য পুলিশ থাইল্যান্ডের ওই মহিলাকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে পেশের আগে পর্যন্ত তাঁকে টালিগঞ্জ মহিলা থানায় নিরাপদে রাখা হয়েছে। তাঁর সমস্ত গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। ধৃত সাংসুকনিউতের সূত্র ধরে এই কাজে আরও কেউ যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.