সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য় ক্লাবগুলিকে আর আর্থিক অনুদান দেবে না রাজ্য় সরকার। এমনই খবর নবান্ন সূত্রে। করোনা কাল থেকেই এই অনুদান স্থগিত রয়েছে। নতুন করে তা আর চালু করা হবে না বলেই সম্প্রতি নবান্নের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, অতীতে যে সমস্ত ক্লাব সরকারি অনুদান পেয়েছিল, তাদের মধ্যে অধিকাংশই খরচের হিসেব সঠিকভাবে দিতে পারেনি। সে জন্য়ই কি অনুদান বন্ধের পথে রাজ্য হাঁটল? সেই উত্তর অবশ্য এখনও অজানা।
২০১১ সালে বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাথমিকভাবে ঠিক করা হয়েছিল, সরকারের বাছাই করা কিছু ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রথম দফায় একলপ্তে ২ লক্ষ টাকা এবং পরবর্তী তিন বছর ১ লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। সেই নিয়ম মেনে করোনা আসার আগে পর্যন্ত সাড়ে সাতশোর বেশি ক্লাবকে মোটা অঙ্কের আর্থিক অনুদান দিয়েছিল নবান্ন। যার দরুন প্রায় ৫০ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল রাজ্যের কোষাগার থেকে। সরকারের এই অনুদানের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল বিরোধীরা। ক্লাবকে আর্থিক অনুদান দেওয়ার পিছনে রাজনীতি দেখেছিল তারা। শত সমালোচনা ও রাজ্যের কোষাগারে টান পড়লেও অনুদানের পথ থেকে সরেনি রাজ্য সরকার। কিন্তু করোনার কোপে সেই রীতিতে ছেদ পড়ে।
[আরও পড়ুন: ‘লিপস্টিক, ববকাট চুল…’ মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য লালুর দলের নেতার]
২০২০ সালে অতিমারীর কবলে পড়ে গোটা বিশ্ব। তখন থেকেই পরিকাঠামো উন্নয়ন খাতে ক্লাবগুলিকে আর্থিক সাহায্য বন্ধ করে দেয় রাজ্য সরকার। এরপর কেটে গিয়েছে ৩ বছর। তবু অনুদান প্রক্রিয়া আর শুরু করেনি রাজ্য। এবার পুরোপুরি এই অনুদান প্রক্রিয়ায় ছেদ টানার পক্ষে হাঁটছে নবান্ন। অন্তত সূত্র মারফত এমনই খবর মিলছে।
[আরও পড়ুন: মোদি ফ্যাক্টর নয়! রুখতে হবে RSS-কে, নয়া কৌশল শুরু INDIA জোটের]
সর্বশেষ খবর
-
এনআরএসে রহস্যমৃত্যু কর্মরত নার্সের! হাসপাতালের শৌচালয় থেকে উদ্ধার দেহ
-
দিল্লি বিস্ফোরণের নেপথ্যে আল কায়দাই! আরও জাল বিছাচ্ছে জেহাদিরা, সতর্ক করল রাষ্ট্রসংঘ
-
আর ইচ্ছামতো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নয়! ‘ক্রিকেট বাঁচাতে’ বড় সিদ্ধান্তের পথে জয় শাহর আইসিসি
-
দমদম ক্যান্টনমেন্টে হাড়হিম হত্যাকাণ্ড! উদ্ধার কম্বলে মোড়ানো যুবতীর রক্তাক্ত দেহ, পরকীয়ায় খুন?
-
একাধিক জেলায় বিঘার পর বিঘা সরকারি জমির মাটি বিক্রি! নয়া অভিযোগে অভিষেকের বিরুদ্ধে তদন্ত