SIR in West Bengal

‘কাজের চাপ’, SIR প্রক্রিয়ার মাঝে তিন আইএএস বদলিতে কমিশনের প্রশ্নের জবাব দিল নবান্ন

SIR-এর মাঝে অনুমতি ছাড়া তিন আইএএস অফিসারকে বদলি করা নিয়ে নবান্নের কাছে জবাবদিহি চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ১৯:৩৬

options
link
‘কাজের চাপ’, SIR প্রক্রিয়ার মাঝে তিন আইএএস বদলিতে কমিশনের প্রশ্নের জবাব দিল নবান্ন
কেন্দ্রীয় অবজার্ভার ইস্যুতে তুঙ্গে রাজ্য-নির্বাচন কমিশন সংঘাত

রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ চলছে। তার মাঝে তিন আইএএস অফিসারকে বদলি করা নিয়ে নবান্নের কাছে জবাবদিহি চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার তার জবাব দিল নবান্নে। জবাবি চিঠিতে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হল, তাঁদের উপর প্রচুর কাজের চাপ ছিল। সেই চাপ কমাতে তাঁদের বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে চিঠিতে এই জবাব দিয়েছে নবান্ন। চিঠিতে এই আবেদনও জানানো হয়েছে, রাজ্যের এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেওয়া হোক।

Advertisement

এসআইআর (SIR in West Bengal) আবহে মসৃণভাবে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ ছিল, এই কাজে জড়িত কোনও সরকারি আধিকারিককে কমিশনের নির্দেশ ছাড়া বদলি করা যাবে না। কিন্তু গত ডিসেম্বর ও এবছরের জানুয়ারি মাসে দফায় দফায় তিনজন আইএএস-কে বদলি করে রাজ্য সরকার। তাঁরা হলেন উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত অশ্বিনী কুমার যাদব, উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তরের রণধীর কুমার এবং পূর্ব, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমের স্মিতা পাণ্ডে। এঁরা সকলেই ERO হিসেবে কাজ করছিলেন। কমিশনের অভিযোগ, এই তিনজনকে অন্যত্র বদলির ক্ষেত্রে কোনওরকম অনুমোদন নেয়নি রাজ্য সরকার। কেন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করে এই বদলি? তার জবাবদিহি চেয়ে নবান্নকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সেইসঙ্গে কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল যে ওই বদলির বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করা হোক। বৃহস্পতিবার তারই জবাব দিল নবান্ন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত ডিসেম্বর ও এবছরের জানুয়ারি মাসে দফায় দফায় তিনজন আইএএস-কে বদলি করে রাজ্য সরকার। তাঁরা হলেন উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত অশ্বিনী কুমার যাদব, উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তরের রণধীর কুমার এবং পূর্ব, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমের স্মিতা পাণ্ডে। এঁরা সকলেই ERO হিসেবে কাজ করছিলেন। কমিশনের অভিযোগ, এই তিনজনকে অন্যত্র বদলির ক্ষেত্রে কোনওরকম অনুমোদন নেয়নি রাজ্য সরকার। কেন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করে এই বদলি? তার জবাবদিহি চেয়ে নবান্নকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল।

সূত্রের খবর, কমিশনকে জবাবি চিঠিতে নবান্নের বক্তব্য, ওই তিন অফিসার এসআইআর (SIR in West Bengal)-এর কাজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। তাঁরা ERO। তাই কাজের চাপ কমাতে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তিনজনকে পাঠানো হয়েছে, যাতে কাজে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। চিঠিতে এই আবেদনও জানানো হয়েছে, তিন আইএএস অফিসারকে বদলিতে রাজ্যের এই সিদ্ধান্তকে যেন মান্যতা দেয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়ালকে লেখা হয়েছে এই চিঠি।

Advertisement

কমিশনকে জবাবি চিঠিতে নবান্নের বক্তব্য, ওই তিন অফিসার এসআইআর-এর কাজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। তাঁরা ERO। তাই কাজের চাপ কমাতে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তিনজনকে পাঠানো হয়েছে, যাতে কাজে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন