SIR in West Bengal

এসআইআরে মৃতদের পাশে রাজ্য সরকার, ৬১ জনের পরিবারকে চাকরি দিচ্ছে নবান্ন!

নবান্ন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার এনিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে মন্ত্রিসভায়। সম্ভবত প্রতিটি পরিবারের একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়া হচ্ছে।

Advertisement
নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৮:৪৩

options
link
এসআইআরে মৃতদের পাশে রাজ্য সরকার, ৬১ জনের পরিবারকে চাকরি দিচ্ছে নবান্ন!
এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে সতর্ক প্রশাসন

এসআইআরের কাজ চলাকালীন চাপ, আতঙ্ক-সহ বিভিন্ন কারণে রাজ্যে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সাধারণ মানুষ ছাড়াও প্রাণ হারিয়েছেন এই কাজে যুক্ত বিএলও-রাও। এই পরিস্থিতির জন্য বারবারই নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। কমিশনের অপরিকল্পিত কাজ, অতিরিক্ত চাপের কারণই এর নেপথ্যে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রথম দিন থেকেই মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে রাজ্য সরকার ও শাসকদল। এবার স্বজনহারা পরিবারগুলির জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। সূত্রের খবর, এসআইআরের মাঝে প্রাণ হারানো মানুষজনের পরিবারগুলিকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভায় এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে খবর। ৬১ জনের পরিবারকে দেওয়া হবে চাকরি। পরিবার পিছু একজন করে সদস্য এই চাকরি পাবেন বলে খবর।

Advertisement

সূত্রের খবর, এসআইআরের মাঝে প্রাণ হারানো মানুষজনের পরিবারগুলিকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভায় এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে খবর। ৬১ জনের পরিবারকে দেওয়া হবে চাকরি। পরিবার পিছু একজন করে সদস্য এই চাকরি পাবেন বলে খবর।

গত অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছিল ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন। ধাপে ধাপে সমস্ত কাজ শেষে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার কথা। আর এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে গোটা প্রক্রিয়া শেষ করা রীতিমতো চ্যালেঞ্জের বিএলও, ইআরও, ডিআরও-দের কাছে। সেই চাপ সামলে সবটা ত্রুটিহীনভাবে করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারপ্রাপ্ত সরকারি আধিকারিকদের কাছে। তাঁদের কেউ কেউ এই মানসিক চাপ নিতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। কেউ আবার কাজের চাপে অসুস্থ হয়ে অসময়ে মৃত্যুমুখে ঢলে পড়েছেন। অন্যদিকে, এসআইআর নিয়ে চাপে পড়েছেন সাধারণ ভোটাররাও। কারও পর্যাপ্ত নথি না থাকা, কারও আবার শুনানিতে ডাক পাওয়ার মতো বিষয়গুলি ভাবিয়ে তুলেছে। এসবের কারণে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম থাকবে কিনা, এই আতঙ্কে তাঁদের একাংশ হয় আত্মঘাতী হয়েছেন, নয়তো অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছেন। সবমিলিয়ে সংখ্যাটা একশোর বেশি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে সরকারি কাজ করতে গিয়ে অকালমৃত্যু হয়েছে যাঁদের, তাঁদের পরিবার কার্যত অসহায়। বাড়ির একমাত্র রোজগেরে সদস্যকে হারিয়ে আর্থিক সংকটে পড়েছেন সদস্যরা। তাই সেসব পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াচ্ছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, সরকারি চাকরি দেওয়া হবে এসআইআরের কাজ করতে গিয়ে প্রয়াত সরকারি আধিকারিকদের পরিবারের একজন করে সদস্যকে। তবে কোন দপ্তরে চাকরি, কবে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে, সেসব এখনও আলোচনার স্তরে রয়েছে বলে খবর।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.