Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
NCERT Textbook Row

‘বিচারব্যবস্থার দুর্নীতি’ পাঠ্যবইয়ে প্রবল অসন্তুষ্ট মোদি, এনসিইআরটি বই নিয়ে ‘শাস্তি’র বার্তা

বিচারব্যবস্থার কাজকর্মে প্রভাব ফেলে, এমন সমস্যাগুলি তুলে ধরা হয়েছে পাঠ্যবইয়ে। তার মধ্যে রয়েছে দুর্নীতির প্রসঙ্গও। সেই কারণেই দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে অষ্টম শ্রেণির বইটি ঘিরে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৮:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৮:২৭

options
link
‘বিচারব্যবস্থার দুর্নীতি’ পাঠ্যবইয়ে প্রবল অসন্তুষ্ট মোদি, এনসিইআরটি বই নিয়ে ‘শাস্তি’র বার্তা zoom
ফাইল ছবি।

স্কুলপড়ুয়াদের পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরা হচ্ছিল বিচারব্যবস্থার দুর্নীতি। এনসিইআরটির (NCERT Textbook) এই বই নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বিতর্কের (Row) ঝড় বয়ে গিয়েছে গোটা দেশজুড়ে। সূত্রের খবর, বিতর্কিত বই নিয়ে ঘনিষ্ঠমহলে তুমুল অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) স্বয়ং। ইতিমধ্যেই এই বই নিয়ে শীর্ষ আদালতের তুমুল ভর্ৎসনার মুখে পড়েছে কেন্দ্র। সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রকে ক্ষমাও চাইতে হয়েছে। এবার বই নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রীও।

আপাতত ইজরায়েল সফরে গিয়েছেন মোদি। বিতর্কিত বই নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। কিন্তু দেশে প্রবল বিতর্কের মধ্যে বিশেষ বার্তা পাঠিয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, বইটি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই বই এবং বিচারব্যবস্থা দুর্নীতি অধ্যায় যারা তৈরি করেছে তাদের চিহ্নিত করতে হবে। এই ঘটনার দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্বদের। যেহেতু বিদেশ সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, সেকারণেই বিতর্কিত বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করা থেকে দূরে থাকছেন তিনি-এমনটাই অনুমান বিশ্লেষকমহলের।

Advertisement

বৃহস্পতিবারই এনসিইআরটির পাঠ্যবই নিষিদ্ধ করেছে শীর্ষ আদালত। তারপর বইটি নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। বলেন, “আমরা বিচার বিভাগকে সম্মান করি। আদালত যা নির্দেশ দিয়েছে, আমরা তা সম্পূর্ণরূপে মেনে চলব। যা ঘটেছে তাতে আমি দুঃখিত।” তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে আসতেই আমি তাৎক্ষণাৎ এনসিইআরটি-কে সমস্ত বই প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছি। আমি নিশ্চিত করেছি সেগুলি যাতে বাজারে না আসে। বইগুলি প্রত্যাহারেরও নির্দেশ দিয়েছি। বিচার বিভাগকে অসম্মান করা সরকারের উদ্দেশ্য নয়।”

সংশ্লিষ্ট বইটি এবং সেটির অধ্যায় যারা তৈরি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। উল্লেখ্য, এর আগের সংস্করণের পাঠ্যবইয়ে মূলত দেশের বিচার ব্যবস্থা ও আদালতের ভূমিকার কথাই শুধু ছিল। কিন্তু নতুন বইয়ে ‘আমাদের সমাজে বিচারবিভাগের ভূমিকা’ শীর্ষক সংশোধিত অধ্যায়ে শুধুমাত্র আদালতের গঠন, কাঠামো, ন্যায়বিচারের সুযোগের মধ্যেই আলোচনা সীমিত রাখা হয়নি। বিচারব্যবস্থার কাজকর্মে প্রভাব ফেলে, এমন সমস্যাগুলিও তুলে ধরা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে দুর্নীতির প্রসঙ্গও। সেই কারণেই দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে অষ্টম শ্রেণির বইটি ঘিরে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.