RN Ravi

শিকড় ছেঁড়ার যন্ত্রণা! ১৪ আগস্ট ‘দেশ বিভাজন দিবস’ পালনের আর্জি রাজ্যপাল রবির

'অন্ধকার অধ্যায় সম্পর্কে জানুক নতুন প্রজন্ম', মত রাজ্যপালের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৭:১৫

options
link
শিকড় ছেঁড়ার যন্ত্রণা! ১৪ আগস্ট ‘দেশ বিভাজন দিবস’ পালনের আর্জি রাজ্যপাল রবির
'দেশ বিভাজন দিবস' হিসেবে পালিত হোক ১৪ আগস্ট, পরামর্শ রাজ্যপাল আরএন রবির

১৫ আগস্ট দেশ স্বাধীনতার দিন, আনন্দের মুহূর্ত। কিন্তু ঠিক তার আগের দিনটা, ১৪ আগস্ট দেশভাগের যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছিল লাখ লাখ মানুষকে। ধর্মের ভিত্তিতে দুই আলাদা দেশ গড়তে মাঝে উঠে গিয়েছিল কাঁটাতার। সেদিনের সেই অন্ধকার অধ্যায় যাতে বিস্মৃত না হয়, তার জন্য এবার ‘দেশ বিভাজন দিবস’ হিসেবে পালনের পরামর্শ দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি। রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে কর্তৃপক্ষের কাছে আর্জি জানিয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, সম্প্রতি লোকভবন থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে, ‘অন্ধকার অধ্যায়’ সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে অবহিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পালিত হোক ওই দিবস।

Advertisement

লোকভবন থেকে সম্প্রতি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতের ইতিহাসের এই ‘অন্ধকার অধ্যায়’ সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের অবহিত হওয়া প্রয়োজন। যাঁরা দেশভাগের শিকার, তাঁদের জানার পাশাপাশি, যে সমস্ত শক্তি বিভাজন ঘটাতে চায়, তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। আর সেই কারণেই রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে তাঁর পরামর্শ, ১৪ আগস্ট পালন করা হোক ‘দেশ বিভাজন দিবস’।

১৯৪৭ সালের আগস্টে দেশভাগের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ। লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন, প্রাণ হারিয়েছিলেন। এর ফলে বাংলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক পরিসর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই ক্ষত হয়তো এত বছরেও মেরামত করা যায়নি। তাই শুধু ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের আনন্দ উদযাপন নয়, তার আগে দেশভাগের যন্ত্রণাও উপলব্ধি করার মতো। এমনই মনে করছেন রাজ্যপাল রবীন্দ্রনাথ রবি। লোকভবন থেকে সম্প্রতি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতের ইতিহাসের এই ‘অন্ধকার অধ্যায়’ সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের অবহিত হওয়া প্রয়োজন। যাঁরা দেশভাগের শিকার, তাঁদের জানার পাশাপাশি, যে সমস্ত শক্তি বিভাজন ঘটাতে চায়, তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। আর সেই কারণেই রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে তাঁর পরামর্শ, ১৪ আগস্ট পালন করা হোক ‘দেশ বিভাজন দিবস’।

Advertisement

এবছর অবশ্য স্বাধীনতা দিবসে বাড়তি উদ্যোগ রাজ্য সরকারের। ৯ থেকে ১৭ আগস্ট পালিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মসূচি ‘হর ঘর তেরঙ্গা।’ রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে ব্লকে ৭০ হাজার জাতীয় পতাকা বিলি করবে সরকার। তার আগে ১০ আগস্ট পালিত হবে ‘হর ধর তেরঙ্গা’ মেগা কর্মসূচি। ওইদিন আকাশবাণী ভবনের সামনে নেতাজি মূর্তি থেকে বিড়লা তারামণ্ডলের সাত নং গেট পর্যন্ত মিছিল হবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে। সূত্রের খবর, সেই মিছিলে হাঁটবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। তবে আচার্য তথা রাজ্যপালের পরামর্শমতো আলাদা করে ১৪ আগস্ট ‘দেশ বিভাজন দিবস’ পালিত হবে কি না, তা এখনও জানা নেই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.