রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: পঞ্চায়েত ভোটে শাসক দলের দাপট আর বামেদের আশা জাগানো ফলের মাঝে অনেকটাই কোণঠাসা বিজেপি। তা সত্ত্বেও পড়শি রাজ্যে ভোট প্রচারের জন্য বঙ্গ বিজেপির উপরই ভরসা রাখছে গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব।
চলতি বছরের শেষের দিকেই ছত্তিশগড়ে বিধানসভা নির্বাচন। ভূপেশ বাঘেল সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে ছত্তিশগড় গেরুয়া ঝড় তুলতে মরিয়া বিজেপি। এমন পরিস্থিতিতে অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি বাংলা থেকেও পাঠানো হবে বিধায়কদের একটি দল। সোমবারই বিধানসভায় এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরিষদীয় দলনেতা মনোজ টিগ্গাকে বিধায়কদের একটি তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: ‘সব অভিযোগ মিথ্যে’, হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন আদানি]
ছত্তিশগড়ে হিন্দি ভাষাভাষীর মানুষের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। সে কথা মাথায় রেখে যাঁরা হিন্দিতে জনসংযোগ করতে পারবেন, তালিকায় তাঁদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে খবর। যেমন দলে থাকবেন অর্জুন সিংয়ের ছেলে তথা বিজেপি বিধায়ক পবন সিং। একইসঙ্গে ছত্তিশগড়ে বসবাসকারী বাঙালিদের সঙ্গে কথা বলার জন্য বাঙালি বিধায়কদেরও পাঠানো হবে।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া হাওয়া তুলেও ভোটবক্সে মুথ থুবড়ে পড়েছিল বিজেপি। হাজারো হুঙ্কারের পর ১০০ আসনেরও ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি পদ্মশিবির। আবার পঞ্চায়েত ভোটের আগে আরও প্রকট হয় বঙ্গ বিজেপির অন্তর্কলহ। যা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে হয় শীর্ষ নেতৃত্বকে। এহেন পরিস্থিতিতে বঙ্গ বিজেপির দলকে ছত্তিশগড়ে ভোট প্রচারে পাঠানো বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
[আরও পড়ুন: ‘বৈঠক ভাল হয়েছে’, বেঙ্গালুরুতে বিরোধী জোটের আলোচনা শেষে বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা]
সর্বশেষ খবর
-
জঙ্গলে লুকিয়ে ১০০০ বছরের প্রাচীন শহর, কেন হয়েছিল জনশূন্য? হতবাক গবেষকরা
-
পার্টনারের সঙ্গে কখনওই ঝগড়া হয় না বলে গর্ব করেন? নেপথ্যে থাকতে পারে ৪ জটিল মনস্তত্ব
-
চিরকালের জন্য বাকিংহাম প্যালেস ছাড়লেন রাজা চার্লস! হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত?
-
স্বাস্থ্যকর খাবার বানাতে সর্বক্ষণ এয়ার ফ্রায়ারের ব্যবহার, ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে না তো?
-
প্রাক্তন-বর্তমানের ‘ভয়ংকর পুনর্মিলন’ হবে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’তে, সম্পর্কের জটিল ধাঁধায় জয়া-চূর্ণী