Anandapur Fire Incident

আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের দায় কার? রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই সিট গঠন পুলিশের

রবিবার ভোর তিনটে নাগাদ আনন্দপুরের মোমো কারখানা এবং গুদামে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ২১:১৪

options
link
আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের দায় কার? রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই সিট গঠন পুলিশের
মোমো কারখানায় আগুন। ফাইল ছবি।

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এর মধ্যেই বিশেষ তদন্তকারী দল অর্থাৎ সিট গঠন করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। বারুইপুরের পুলিশ সুপার শুভেন্দ্র কুমারের নেতৃত্বে এই সিট গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে ঘটনার সূত্রে পৌঁছাতে ধৃত তিনজনকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনায় দ্রুত চার্জশিট দিতে চায় পুলিশ। এই অবস্থায় ঘটনার গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই সিট গঠনের সিদ্ধান্ত বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। 

Advertisement

রবিবার ভোর তিনটে নাগাদ আনন্দপুরের মোমো কারখানা এবং গুদামে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভয়াবহ এই ঘটনায় (Anandapur Fire Incident) এখনও পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে আজ শনিবার বারাকপুরের সভা থেকে সরব হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মর্মান্তিক ঘটনার জন্য তৃণমূলের দুর্নীতিকেই দায়ী করেন তিনি। এত মৃত্যু, এত মানুষ নিখোঁজ থাকার পরেও কেন মোমো সংস্থার মালিককে গ্রেপ্তার করা হল না তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শাহ। যার পালটা জবাব দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দিল্লি উড়ে যাওয়ার আগেই কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘‘একটা ঘটনাকে নিয়ে রাজনীতি করা বিজেপির কায়দা। শকুনের মতো মৃতদেহ খোঁজে। মৃত্যুর রাজনীতি করে, লাশের রাজনীতি করে।’’ ঘটনায় জড়িত সবাই শাস্তি পাবে বলেও আশ্বাস দেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।

Advertisement

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল সিট গঠন করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। যেখানে পুলিশ সুপার ছাড়াও বারুইপুর জেলা পুলিশের দুই অ্যাডিশনাল এসপি, নরেন্দ্রপুর থানার আইসি এবং ঘটনার তদন্তকারী অফিসার রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে ঘটনার পরেই ডেকরেটার্স সংস্থার মালিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে মোমো সংস্থার দুই আধিকারিককেও। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে নরেন্দ্রপুর থেকে সংস্থার ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট ও ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তীকে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ধৃত তিনজনকে দফায় দফায় সিটের আধিকারিকরা জেরা করছেন বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

অন্যদিকে ডিএনএর শ্যাম্পেল কালেকশনের প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এখন উদ্ধার হওয়া দেহাংশের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। আর তা নিশ্চিত হওয়ার পরেই দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে খবর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.