কলহার মুখোপাধ্যায়: অফিসে ছিল ছেলে ও বউ। ভরদুপুরে ফ্ল্যাটে ঢুকে বৃদ্ধাকে হামলা দুষ্কৃতীর৷ এলোপাথাড়ি ছুরির ঘায়ে জখম ৭১ বছরের জয়শ্রী চক্রবর্তী। সংকটজনক অবস্থায় শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে তাঁকে ৷ তবে কী কারণে বৃদ্ধাকে টার্গেট করল দুষ্কৃতী, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা৷ বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে৷
[সাত বছর ধরে নাট্যদল ‘পদাতিক’-এর সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল না সুজাতার]
সল্টলেকের পূর্বাচল এলাকার একটি অভিজাত বহুতলে থাকে এই পরিবার। সকালে অফিসে বেরোন ছেলে আশিস ও তাঁর বউমা৷ এরপর বাড়িতে একাই ছিলেন জয়শ্রী৷ পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বারোটা নাগাদ হেলমেট পড়ে ফ্ল্যাটে ঢোকে এক যুবক৷ জয়শ্রী দেবীকে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করা হয়৷ জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বৃদ্ধা৷ যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকেন৷ সেই সুযোগে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতী৷ চিৎকার শুনে বহুতলের সামনে এলাকার অন্য আবাসিকরা বেরিয়ে আসে৷ বৃদ্ধার ছেলে আশিসবাবু জানান, অফিসে থাকাকালীন আচমকা তাঁর কাছে এক আবাসিকের নম্বর থেকে ফোন আসে৷ তাঁকে জানানো হয়, বাড়িতে জখম হয়ে পড়ে আছেন তাঁর মা৷ খবর পেয়ে তড়িঘড়ি নিজের বাড়িতে আসেন তিনি৷ তড়িঘড়ি স্থানীয় এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু হয়েছে৷ চিকিৎসকরা জানান, ছুরি দিয়ে শরীরের ২৭টি জায়গায় আঘাত করা হয়েছে ওই মহিলার৷ বেশ কয়েকটি জায়গার চোট যথেষ্ট গুরুতর৷
[নতুন বছরের আগে হচ্ছে না রথযাত্রা! হাই কোর্টের রায়ে ব্যাকফুটে বিজেপি]
বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ছেলে আশিস চক্রবর্তী৷ এই ঘটনায় এখনও কোনও সূত্র খুঁজে পাননি তদন্তকারী অফিসাররা৷ অভিজাত ওই বহুতলে ২৪ ঘণ্টা পাহারা মোতায়েন আছে৷ তা সত্ত্বেও কীভাবে দিনদুপুরে কেউ বহুতলে ঢুকে বৃদ্ধার উপর হামলা করল ! ওই দুষ্কৃতী বাড়িতে লুটপাটও করেনি৷ তাহলে কীসের প্রতিহিংসায় হামলা হয়েছে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন৷ এই হামলার নেপথ্যে পরিচিত কারও যোগসাজশ আছে কী না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা