বাঙালির গ্রীষ্মকাল মানেই তো আম-উৎসব। দুপুরের পাতে হোক। কিংবা সান্ধ্য টিফিনে। অথবা নৈশভোজে। আম ছাড়া বাঙালির চলে না। কিন্তু জানেন কি, আমের খোসাতেই লুকিয়ে রয়েছে রূপচর্চার আসল চাবিকাঠি? রূপটানশিল্পীদের মতে, পাকা আমের খোসা ত্বকের জন্য ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে ভরপুর ভিটামিন এ, সি এবং ই। এই উপাদানগুলি ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, আমের মধ্যে থাকা ভিটামিন এ ত্বকের নিজস্ব প্রোটিন ‘কোলাজেন’ তৈরিতেও অনুঘটকের কাজ করে। ফলে ত্বক হয়ে ওঠে টানটান ও উজ্জ্বল।
আরও পড়ুন:
তাই আম খেয়ে আর খোসা ফেলবেন না। বাড়িতেই ঝটপট বানিয়ে ফেলুন ফেসপ্যাক। এই ঘরোয়া প্যাক তৈরি করতে লাগবে মাত্র তিনটি জিনিস। এমনকী খুব বেশি খাটাখাটনিরও প্রয়োজন পড়বে না। সহজেই তৈরি হবে এই প্যাক।

প্যাক তৈরিতে কী কী লাগবে?
(১) পাকা আমের খোসা
(২) টক দই (১ টেবিল চামচ)
(৩) মধু (১ টেবিল চামচ)

এভাবে তৈরি করুন
বানানোর পদ্ধতিও অত্যন্ত সহজ। প্রথমে আমটি ভালো করে জলে ভিজিয়ে রাখুন। এর পর ছুরি দিয়ে আমের গা থেকে খোসা ছাড়িয়ে নিন। খোসাগুলি ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ব্লেন্ডারে মিহি করে বেটে নিতে হবে। এবার ওই খোসা বাটার সঙ্গে টক দই আর মধু ভালো করে মিশিয়ে নিলেই কেল্লাফতে। তৈরি আপনার রূপটানের জাদুকরী ফেসপ্যাক।

ব্যবহারের আগে মানুন এই নিয়ম
প্যাকটি মুখে লাগানোর আগে ত্বক ভালো করে পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরি। কোনও মাইল্ড ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ত্বকে যেন ধুলো, তেল বা মেকআপ না থাকে। এবার ব্রাশের সাহায্যে পুরো মুখে প্যাকটি সমানভাবে লাগিয়ে নিন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। প্যাকটি শুকিয়ে এলে হালকা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সবশেষে নরম তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী একটা ভালো ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। ব্যস, রোদে পোড়া ভাব কেটে গিয়ে ত্বক নিমেষেই হয়ে উঠবে তরতাজা ও উজ্জ্বল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
দুই বউকেই থাকতে দিতে হবে ঘরে, আজব দাবিতে ২০০ ফুট উঁচু মোবাইল টাওয়ারে যুবক!
-
বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারত কোথায়? সংসদে লিখিতভাবে জানাল মোদি সরকার
-
‘কারও নামে বদনাম করিনি’, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই নেতাজি নিয়ে সুরবদল অনন্ত মহারাজের
-
ইউক্রেনের ব্যাঙ্কের সঙ্গে বিবাদ! যুদ্ধের মাঝে রাশিয়ায় বড় দায়িত্বে ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি
-
‘সময় ঠিক করুন, সব প্রশ্নের জবাব দেব’, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বিরোধীদের পালটা চাপ শাহের