Dark Circles

চোখের তলায় ‘অমাবস্যা’? এক চুটকিতে উধাও ডার্ক সার্কেল, ম্যাজিক দেখাবে নয়া থেরাপি

চোখের তলার কালো দাগ তুলতে ইদানীং এই থেরাপির দারুণ চল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ২০:৪৩

options
link
চোখের তলায় ‘অমাবস্যা’? এক চুটকিতে উধাও ডার্ক সার্কেল, ম্যাজিক দেখাবে নয়া থেরাপি
ঘরোয়া টোটকায় আর কতদূর? এবার কিন্তু ম্যাজিক দেখাবে বিজ্ঞান। ছবি: সংগৃহীত

ডার্ক ওয়ার্ল্ডের রহস্য মনে রোমাঞ্চ জাগালেও, চোখের তলার ডার্ক সার্কেল কিন্তু বেশ ভীতিপ্রদ! রাত জেগে ওয়েব সিরিজ দেখা, অফিসের ডেডলাইন আর পুষ্টির অভাব— সব মিলে চোখের কোলে যখন অমাবস্যা নেমে আসে, তখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে আর কিছুতেই চেনা যায় না। এই ‘ভুতুড়ে’ লুক দূর করতে কেউ শসা কুচি দেন, কেউ আবার দামি আন্ডার-আই ক্রিম মাখেন। তবে ঘরোয়া টোটকায় আর কতদূর? এবার কিন্তু ম্যাজিক দেখাবে বিজ্ঞান। কার্বক্সি থেরাপি-তে সারবে চোখের তলার কালো দাগ। কী অবাক হচ্ছেন? চোখের তলার অমাবস্যা কাটাতে ইদানীং এই থেরাপির দারুণ চল।

Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

ব্যাপারটা ঠিক কী?
নাম শুনে খটকা লাগলেও, এই চিকিৎসায় আসলে মেডিকেল গ্রেডের কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস ইনজেকশনের মাধ্যমে ত্বকের নিচে পুশ করা হয়। শরীরে আচমকা CO2-এর মাত্রা বাড়লে, সেই অংশে রক্ত চলাচল দ্বিগুণ হয়ে যায়। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে ‘অক্সিজেন ডেফিসিট কারেকশন’। রক্ত চলাচল বাড়ার ফলে কোলাজেন তৈরি হয় দ্রুত। ফলে চোখের নিচের পাতলা চামড়া পুষ্টি পায় এবং কালচে ভাব কেটে চামড়া টানটান হয়ে ওঠে।

Advertisement

কতটা কার্যকরী?
ভারতীয় তথা এশীয় ত্বকে মেলানিনের মাত্রা বেশি থাকে। পাশাপাশি অনেকেরই চোখের নিচের ত্বক এতটাই পাতলা হয় যে, ভেতরের সূক্ষ্ম রক্তনালীগুলো বাইরে থেকে নীলচে বা বেগুনি দেখায়। চিকিৎসকদের মতে, এই থেরাপি ত্বকের ডার্মিস স্তরকে ভেতর থেকে পুরু করে তোলে। ফলে ওই নীলচে বেদনা ঢাকা পড়ে যায়। ভারতীয় ত্বকের পিগমেন্টেশন কমাতে এটি বেশ কার্যকরী।

Advertisement

খরচ ও খুঁটিনাটি
আজকাল মাঝবয়সী চাকুরিজীবী থেকে শুরু করে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলা পাত্র-পাত্রী— সবার মধ্যেই এই থেরাপির চাহিদা তুঙ্গে। পুরুষদের মধ্যেও এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। প্রতি সেশনে খরচ পড়ে মোটামুটি ২০০০ থেকে ৫০০০ টাকার মতো। ডার্ক সার্কেলের গভীরতা বুঝে ৪ থেকে ৮টি সেশনের প্রয়োজন হতে পারে।

ছবি: সংগৃহীত

পাশ্বপ্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা
চিকিৎসকদের মতে, এটি বেশ নিরাপদ ও কম ঝক্কির। তবে ইনজেকশন নেওয়ার পর সাময়িক লালচে ভাব, সামান্য ফোলা বা হালকা চুলকানি হতে পারে। অবশ্য গর্ভবতী মহিলা, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস কিংবা হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এই থেরাপি একেবারেই নিষিদ্ধ।

ঘরোয়া বরফ বা কফির মাস্ক সাময়িক আরাম দিলেও, সমস্যার গভীরে পৌঁছাতে পারে না। কার্বক্সি থেরাপি ঠিক সেই কাজটিই করে। তবে মনে রাখবেন, যত টোটকা তত সমাধান মিললেও সঠিক সময়ে ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইলের কোনও বিকল্প নেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.