ফেসবুকের নেশা হতে পারে মাদকাসক্তির মতোই ভয়ঙ্কর, বলছে গবেষণা

পরিণতি মারাত্মক!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০১৯, ২০:১১

options
link
ফেসবুকের নেশা হতে পারে মাদকাসক্তির মতোই ভয়ঙ্কর, বলছে গবেষণা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উঠতে, বসতে, হাঁটতে, চলতে চোখ ফেসবুকের পাতায়? যতক্ষণ হাতে স্মার্টফোন, ততক্ষণই সক্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে? সাবধান হোন এখনই। ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক আপনাকে যতটা এগিয়ে দেয়, তার চেয়ে বেশিই কিন্তু পিছিয়েও দিতে পারে। নেশা ধরাতে পারে মাদকের। কিম্বা তার চেয়েও মারাত্মক কিছুর, যাতে আপনার জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠার আশঙ্কা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় এরকমই সাবধানবাণী।

Advertisement

                              [PUBG খেলে এ কী ভয়ানক পরিণতি হল ৫ যুবকের?]

আসলে মাত্রারিতিক্ত যে কোনও কাজেরই ফলাফল বিপরীতমুখী। নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে, বাগে আনা কঠিন। ঠিক এরকমই একটা আশঙ্কা তৈরি হয়েছে সর্বক্ষণ সোশ্যাল মিডিয়ার ইউজারদের ক্ষেত্রে। মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক গবেষণার মূল উদ্যোক্তা অধ্যাপক দার মেশির কথায়, ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্তত এক তৃতীয়াংশ মানুষ সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেন। এঁদের মধ্যে অধিকাংশ আবার দিনের বেশিরভাগ সময়েই এতে ব্যস্ত থাকেন। আমাদের বুঝতে হবে, এটা যেন নেশায় পরিণত না হয়। নির্দিষ্ট সময়ে ফেসবুক বা অন্যান্য সাইটে সক্রিয় থাকতে হবে। নাহলে বড় বিপদ।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

fb-user

Advertisement

মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল অফ বিহেভিয়ার অ্যাডিকশনে। অন্তত ৭১ জনের ওপর সমীক্ষা করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে অনেকেই স্বীকার করছেন, তাঁরা ফেসবুকের ওপর মানসিকভাবে নির্ভরশীল। কোনও কারণে তার থেকে দূরে থাকতে হলে, আত্মহত্যাপ্রবণ হয়ে পড়েন, নয়তো নেশাগ্রস্ত। যার প্রভাব পড়ে তাঁদের চাকরি এবং পড়াশোনায়। অনেকে আবার মজে যান জুয়াখেলায়। মাদকাসক্ত হয়ে কেউ কেউ কোকেন, মিথাম্ফিটামাইনে ডুবে যাচ্ছেন। গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে, ফেসবুক থেকে দূরে থেকে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন অনেকে। এরকম কয়েকটি নমুনা থেকে তাঁরা ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মানসিক গঠন বোঝার চেষ্টা করেছেন। তাতেই উঠে এসেছে মূল বিষয়টি। সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি বাড়তি আকর্ষণ অনেক সমস্যার সূ্ত্রপাত। উলটোদিকে, এসবের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে রোজকার জীবন আপডেটও থাকে, আবার চাপ মুক্তও থাকা যায়। তাই অধ্যাপক মেশির প্রস্তাব, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকুন, তবে নির্দিষ্ট সময় মেনে। তাতে আপনার উপকার বই ক্ষতি হবে না। কিন্তু আকর্ষণ বাড়লেই বুঝবেন, বিপদের হাতছানি।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.