Nipah Virus

নিপা ভাইরাস কী? কীভাবে ছড়ায় রোগ, উপসর্গই বা কী? জানুন প্রতিকারের উপায়

উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ভুলেও দেরি করবেন না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১৪:২৩

options
link
নিপা ভাইরাস কী? কীভাবে ছড়ায় রোগ, উপসর্গই বা কী? জানুন প্রতিকারের উপায়

নতুন করে ফের বাংলায় চোখ রাঙাচ্ছে নিপা ভাইরাস (Nipah Virus)। বারাসতের ২ জনের শরীরে মিলেছে এই জীবাণু। যা স্বাভাবিকভাবেই সকলের মনে ভয় ধরিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাজ্য সরকার। আমজনতাকে সতর্ক থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জানেন কী এই ভাইরাস? কীভাবে থাবা বসায় শরীরে? উপসর্গই বা কী?   

Advertisement

নিপা ভাইরাস কী?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এটা এক নতুন ধরনের জুনোসিস যা মানুষ ও জন্তু দু’পক্ষকেই ঘায়েল করে।

Advertisement

কীভাবে ছড়ায়?

বাদুড় বা বাদুড়ের বিষ্ঠার সংস্পর্শে আসা ফল খেলে বা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত শূকর বা বাদুড়ের থেকেও সরাসরি মানুষের শরীরে এই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে।

উপসর্গ:

১) জ্বর, শ্বাসকষ্ট, প্রবল মাথার যন্ত্রণা, বমি বমি ভাব, কাফ মাসলে ব্যথা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, মুখমণ্ডলের পেশি সঙ্কুচিত হওয়া।

২) জ্বর বাড়তে থাকলে ভুল বকা শুরু হয়, স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে থাকে, মৃগী রোগীর মতো খিঁচুনি শুরু হয়। এনসেফেলাইটিসের লক্ষণ দেখা যায়। শেষে কোমায় চলে যায় রোগী। পরিসংখ্যান বলছে, ৪০-৪৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই রোগীকে বাঁচানো যায় না।

5 Nipah virus infection cases in Kerala

চিকিৎসা:

কোনও ওষুধ বা প্রতিষেধক নেই। উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসাই একমাত্র সম্বল। ভেন্টিলেটর সুবিধাযুক্ত আইসিইউ বেডে রেখে রোগীর চিকিৎসা করতে হবে। দু’একজন চিকিৎসক ‘রাইভা ভিরিন’ -সহ কয়েকটি অ্যান্টি ব্য়বহারে প্রয়োগ করে সাফল্য পেয়েছেন বলেই দাবি।

মোকাবিলা:

বাদুড় ও শূকরের সংস্পর্শে আসা চলবে না। এই দুই প্রাণীর মাংস ভক্ষণ নৈব নৈব চ। বাদুড়ে ঠোকরানো ফল বা বাদুড়ের বিষ্ঠামাখা ফল খাওয়া চলবে না। কাটা ফল থেকে দূরে থাকাই ভালো। ফলের রস কিনে খাওয়া চলবে না।  খেজুর বা তালের রসও খাওয়া যাবে না।

প্রসঙ্গত, এই রোগের সূত্রপাত মালয়েশিয়ায়। ১৯৯৮ সালে প্রথম মালয়েশিয়ায় এই ভাইরাসের সন্ধান মেলে। শূকর প্রতিপালকদের মধ্যে প্রথম এই রোগ ধরা পড়ে। ২০০১ সালে শিলিগুড়িতে নিপা আক্রান্ত হন ৬৬ জন। এর মধ্যে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়। মৃতের তালিকায় একজন চিকিৎসকও ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৭ সালের এপ্রিলে নদিয়ায় একই পরিবারের চারজন নিপার ছোবলে প্রাণ হারান। রোগীর রক্ত সংগ্রহ করতে এসে এক ব্লাড কালেক্টরও প্রাণ হারান। শিলিগুড়িতে মৃত্যুর হার ছিল ৬৮ শতাংশ। নদিয়াতে ১০০ শতাংশ। ২০১৮ সালে কেরলের কোঝিকোড়, মল্লপুরম-সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় নিপা ভাইরাসের ছোবলে প্রায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.