সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাঁচা হোক বা পাকা। আমের নামেই গরমে মেলে আরাম। এ স্বাদের ভাগ খুব একটা কেউ দিতে চান না। চাইবেনই বা কেন? একা চেটেপুটে খাওয়াতেই তো মজা। কিন্তু কেবল খেলেই হবে? রসরাজের গুণ তো কেবল স্বাদেই সীমিত নয়। এর গুণে বাড়তে পারে আপনার ত্বকের জেল্লাও।
[মিষ্টি মধুফল, এর গুণে ক্যানসার পর্যন্ত প্রতিরোধ করা যায়]
১) মুখমণ্ডলের মৃত কোষ নিয়ে অনেকেই সমস্যায় ভোগেন। এই ‘ডেড সেল’ থেকে মুক্তি পাওয়ার অব্যর্থ উপায় আম। এর জন্য কী করতে হবে? একটি বাটিতে এক টেবিল চামচ আমের পাল্প, এক চা-চামচ মধু ও এক টেবিল চামচ দুধ মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি দশ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২) ত্বকের পোড়া ভাব দূর করতেও আমের জুড়ি মেলা ভার। এর মধ্যে প্রচুর ভিটামিন ও অ্যান্টি-ট্যানিং উপকরণ থাকে। এক টেবিল চামচ আমের পাল্প, দুই চা-চামচ গমের আটা, এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। পেস্ট মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। দেখবেন, পোড়া ভাব প্রায় দূর হয়ে গিয়েছে। আর আপনার ত্বক স্বাভাবিক জেল্লা ফিরে পেয়েছে।
[নববর্ষের বিশেষ আয়োজন, রেসিপি দেখে ঘরেই বানান পছন্দের মিষ্টি]
৩) বাতাসে দূষণের পরিমাণ বাড়ছে। এর প্রভাব আমাদের ত্বকেও পড়ে। তা অল্পেতেই শক্ত হয়ে ওঠে। ত্বকের নরমভাব ফিরে পেতেও আপনি রসরাজের সাহায্য নিতে পারেন। এর জন্য দুই টেবিল চামচ আমের পাল্প, এক টেবিল চামচ ওটস, এক চা-চামচ কাঁচা দুধ ও তিন-চারটি আমন্ডের গুঁড়ো একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪) ব্রণর সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে দারুণ কাজের জিনিস হল এই আম। অযাচিত ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে পাকা আমের পাল্প নিন। তাতে দুই টেবিল চামচ টক দই ও দুই চা-চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পরে ধুয়ে নিন, আর অল্প সময়েই ব্রণ থেকে মুক্তি পান।
[বসার ভঙ্গীই বলে দেবে আপনি কেমন মানুষ]
সর্বশেষ খবর
-
রাস্তা তৈরিতে এবার ব্যবহার হবে ‘ম্যাস্টিক অ্যাসফল্ট’! বড় উদ্যোগ সিকিম সরকারের
-
ভাড়াবাড়িতে ভাগ্নের সঙ্গে লিভ ইন! ‘খুন’ করে ট্রেন লাইনে ঝাঁপ মামির, জোড়া দেহ উদ্ধার বসিরহাটে
-
ম্যাচ জিতে মেসি জড়িয়ে ধরতেই চুমু সাংবাদিক সোফির! শুরু সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন
-
মায়ানগরীর অবিরাম বৃষ্টিতেও ছুটি নেই, সাদা-কালো আবহে ছবি পোস্টে কী বার্তা ভিকির?
-
‘মনের ভিতর আগুন, মাথা ঠান্ডা রাখুন’, প্রশিক্ষণ শিবিরে বিধায়কদের ন্যায়ের পাঠ ওম বিড়লার