সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিটি মেয়েরই সোনার গয়না কম-বেশি প্রিয়। ভারী কিছু না হোক নিদেন পক্ষে একটা কানের দুল, আংটি বা নাকছাবি তো চোখে পড়বেই। জ্যোতিষশাস্ত্র বলে, প্রতিটি ধাতুই আমাদের শরীরে প্রভাব ফেলে। গ্রহ, রাশি, লগ্নের উপর নির্ভর করে এই ধাতুর প্রভাব। প্রতিটি গ্রহের সঙ্গে কোনও না কোনও ধাতুর যোগ আছে। আপনি শরীরে যে ধাতুই পরুন না কেন তা নিয়ন্ত্রণে গ্রহের বিশেষ ভূমিকা থাকে। অনেকেই বিশ্বাস করেন, শরীরে সোনা পড়লে তা খুবই শুভ। কিন্তু এটা কি জানেন শরীরের যে কোনও অংশে সোনা পরা মোটেই শুভ নয়। এমন কী সোনা থেকে ব্যক্তিজীবনে হতে পারে হাজারো সমস্যা। তাই কোথায় সোনা পড়বেন, কাদের জন্য সোনা এড়িয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ জানাচ্ছি আমরা। এই প্রতিবেদনটি আপনার মতো সোনা-সোহাগীর জন্যই…
১. এমন অনেকেই আছেন, যাদের বাঁ হাতের একটা আঙুলও ফাঁকা নেই। সোনার আংটিতে ঠাসা। তবে জ্যোতিষশাস্ত্র কী বলছে জানেন! বাঁ হাতের আঙুলে সোনা পড়তে চাইলে তার আগে বিশিষ্ট কারও পরামর্শ নিন। খুব প্রয়োজন না থাকলে তা না পরাই ভাল। কারও কারও ক্ষেত্রে বাঁ হাতে সোনা পরে সমস্যা বাড়ে।
২. অনেকেই পায়ে সোনার নুপূর পড়েন। কিংবা আঙুলে আংটি। পায়ে সোনা পড়লে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি হতে পারে। শরীরের জন্যও হানিকর।
৩. কোমরবিছা খুব পছন্দ? একদম না। কোমরে সোনা পড়লে পাচনতন্ত্রে তার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। পেটের সমস্যাতেও ভুগতে হবে।
৪. লাল অথবা হলুদ কাপড়ে মুড়ে সোনা রাখা সবথেকে ভাল। আর অবশ্যই কাপড়ের মুখটি বেধে রাখুন। সোনার সঙ্গে কেসর রাখতে ভুলবেন না। এভাবে সোনা রাখলে পরিবারে শ্রীবৃদ্ধি হয়।
৫. সন্তানসম্ভবা মহিলাদের সোনার কিছু এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। পরিবারের খুব আপত্তি থাকলে হালকা সোনার কিছু পরতে পারেন।
৬. অনামিকায় আংটি পড়া অত্যন্ত শুভ। জ্যোতিষশাস্ত্র বলে, নিঃসন্তান কোনও মহিলা অনামিকায় আংটি পড়লে ধীরে ধীরে তা প্রভাব ফেলতে শুরু করে। সন্তানলাভে গ্রহের কোনও বাধা থাকলে ধীরে ধীরে তা কেটে যেতে শুরু করে।
৭. সোনা হারানো যেমন খারাপ। তেমন পড়ে পাওয়া সোনা ঘরে আনাও কিন্তু অত্যন্ত অশুভ। সোনা হারালে রোগভোগ বাড়তে পারে। আবার অন্য কারও সোনা ঘরে তুলে আনলেও খরচ বাড়ে।
৮. দাম্পত্য জীবনে শান্তি ধরে রাখতে তর্জনীতে সোনার আংটি পড়ুন। গলায় পরুন সোনার চেন। তবে যাদের রাগ বেশি, ওজন বেশি তাদের সোনার গয়না না পরাই ভাল।
৯. লোহা, কয়লা বা খনিজ দ্রব্য নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের সোনা না পরাই ভাল। ব্যবসার ক্ষেত্রে তা অশুভ। যদি সোনা পরতে হয় ভাল কোনও জ্যোতিষির পরামর্শ নিয়ে পরুন।
১০. সর্দি বা ঠাণ্ডা লাগার ধাত থাকলে কনিষ্ঠায় সোনা পরুন। সোনা ভেজানো জল খেলে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
সর্বশেষ খবর
-
পানীয় জল থেকে প্লাস্টিক সরাবে তেঁতুলের বীজ! তাক লাগানো আবিষ্কার ভারতীয় পড়ুয়াদের
-
‘আমি নেতা নই…’, ককরোচ পার্টির বিক্ষোভ নিয়ে বোমা ফাটালেন দিলজিৎ!
-
মার্কিন তারকা লাল কার্ড দেখতেই ১০ কোটির ফ্রি পিৎজা পেলেন সমর্থকরা! কেন এমন সিদ্ধান্ত সংস্থার?
-
‘ব্রাজিলকে হারানোর সম্ভাবনা খুব কম’, স্বীকারোক্তি হালান্ডের, ৯৮-এর রূপকথা ফেরাতে চান ওডেগার্ড
-
‘চার্টার্ড ব্যুরোক্র্যাট পার্টিকে হাইজ্যাক করেছিল’, জ্ঞানেশ-সাক্ষাতের পর অভিষেককে বিঁধলেন ঋতব্রত