অর্ণব আইচ: লকডাউন (Lock down) -এর সময় অকারণে মানুষের বাড়ির বাইরে বের হওয়া বন্ধ করতে পুলিশকে অ্যাপ ব্যবহারের পরামর্শ দিলেন এক নাগরিক। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে লালবাজারের পুলিশ কর্তাদের তিনি জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসের হাত থেকে শহরবাসীকে বাঁচাতেই তাঁরা কয়েকজন একটি অ্যাপ তৈরি করেছেন। এই অ্যাপের মাধ্যমে যেমন পুলিশ ও মানুষের সংযোগ বাড়বে, তেমনি পুলিশের কাজও কিছুটা সহজ হয়ে যাবে।
এর আগেও পুলিশ বিভিন্নভাবে নাগরিক, বিশেষ করে স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ জুগিয়েছে বিভিন্নভাবে তাদের পরামর্শ দিতে। সেইমতো অনেক ছাত্রছাত্রীই নিজস্ব অ্যাপ তৈরি করে কীভাবে তা ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে পরামর্শও দিয়েছে। যদিও এই বিশেষ অ্যাপটি নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।
[আরও পড়ুন: করোনা উপসর্গ সত্ত্বেও মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসা, রোগীমৃত্যুতে কোয়ারেন্টাইনে NRS-এর ৫৮ ]
তবু সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই পুলিশ কর্তাদের পরামর্শ দিয়ে ওই নাগরিক জানিয়েছেন, শহরবাসীরা তাঁদের বানানো ওই অ্যাপ (App) ডাউনলোড করতে পারবেন পুলিশের অনুমতি নেওয়ার জন্য। এই অ্যাপ আপলোড করবে পুলিশও। শহরবাসীরা অ্যাপের মাধ্যমে পুলিশের কাছে কোনও আবশ্যিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু সময়ের জন্য বাড়ির বাইরে বেরনোর অনুমতি চাইতে পারেন। কী ধরনের প্রয়োজন, পুলিশকে তাও জানাতে হবে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে পুলিশ অনুমতি দিতেও পারে, আবার তা খারিজও করতে পারে।
তবে যেহেতু অনুমতি আবশ্যিক, তাই এই অ্যাপের মাধ্যমেই পুলিশ শনাক্ত করতে পারবে কে বা কারা কোনও প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছে। অ্যাপে চাওয়া অনুমতির সূত্র ধরে পুলিশ সিদ্ধান্ত নিতে পারে, কতজন মানুষকে একসঙ্গে বাইরে বের হওয়ার জন্য অনুমতি দেওয়া হতে পারে। পুলিশ যদি মনে করে যে একসঙ্গে একই সময়ে বেরনোর জন্য বেশি মানুষ অনুমতি চাইছেন, তখন পুলিশের পক্ষ থেকে সেই আবেদন খারিজ করা যেতে পারে। সেই ক্ষেত্রে আবেদনকারীর প্রয়োজন বুঝে তাঁর জন্য বাইরে বের হওয়ার অন্য একটি সময় ধার্য করা যেতে পারে। ফলে বিশেষ সময়ের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষকে পুলিশ অনুমতি দিতে পারে লকডাউনে বাইরে বের হওয়ার জন্য। আবার অ্যাপ ব্যবহারকারীর আবেদন সংশ্লিষ্ট থানাতেও পাঠানো হতে পারে। প্রতিটি থানায় একজন নোডাল অফিসার রাখা হতে পারে, যিনি পুরো বিষয়টি যাচাই করবেন। থানা থেকে অনুমতি আসার পরেই তিনি বাড়ির বাইরে বের হতে পারবেন। আর কোনও পুলিশকর্মী বাইরে তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি ওই অনুমতির মেসেজ দেখাতে পারবেন। এই অ্যাপ ব্যবহার করা হলে করোনা ভাইরাস ছড়ানো রোধের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের সংযোগও বাড়াবে বলে দাবি ওই নাগরিকের।
[আরও পড়ুন: লকডাউনে পৌনে বারোটায় মিষ্টির দোকান খুলেও গ্রেপ্তার ম্যানেজার ও কর্মী]
সর্বশেষ খবর
-
জীবিত না মৃত! এবার সুপ্রিম নির্দেশে জনসমক্ষে আনা হবে ইমরানকে, কী বলল পাক আদালত?
-
২০২০ সালে ধর্মীয় সভার নামে হাজির আইএসআই কর্তারা! সমাবেশের আড়ালেই পাক চর নিয়োগ নেপালে?
-
‘এবার তলোয়ার চালাব’, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটারদের খোঁচা পন্থের, ‘ভাগ করে খাওয়ার’ পরামর্শ সরফরাজের
-
স্টান্টের সময় মাথায় আঘাতে স্মৃতি উধাও জ্যাসমিনের! কনকাশন কী, কেন এমন হয়?
-
ইমরান ম্যাজিকে ফিকে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’, তবুও সানিকেই সমর্থন, ভূয়সী প্রশংসা হেমার