‘খতরোঁ কে খিলাড়ি ১৫’-এ ভয়ংকর স্টান্ট। তারপরই যেন স্মৃতি থেকে মুছে গেল একটা অংশ! স্টান্ট শেষ হওয়ার পর কী ঘটেছিল, তার কিছুই মনে নেই অভিনেত্রী জ্যাসমিন ভাসিন (Jasmin Bhasin)-এর। পরে চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর মাইল্ড বা মৃদু কনকাশন হয়েছে। ৭২ ঘণ্টা সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে।
ঘটনাটি ঘটে জল ও বায়ুর সঙ্গে যুক্ত একটি কঠিন স্টান্টের সময়। স্টান্টটি শেষ করার পরের মুহূর্তগুলিই তাঁর স্মৃতি থেকে মুছে যায়। এখনও সেই অভিজ্ঞতার একটা অংশ মনে করতে পারেন না জ্যাসমিন।
আরও পড়ুন:
অভিনেত্রীর কথায়, ‘এটা আমার কাছে অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতা ছিল। স্টান্টের পর ঠিক কী হয়েছিল, তা আমার মনে নেই। এখনও সেই অভিজ্ঞতার একটা অংশ আমার স্মৃতিতে নেই।’
আরও পড়ুন:
ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসকেরা তাঁকে পরীক্ষা করেন। ধরা পড়ে মৃদু কনকাশন। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ৭২ ঘণ্টা সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হয় তাঁকে। পরে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক কাজে ফেরেন অভিনেত্রী।

কনকাশন কী?
কনকাশন হল মাথায় আঘাতের ফলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে সাময়িক প্রভাব। মাথায় সরাসরি আঘাত ছাড়াও শরীরে তীব্র ধাক্কার ফলেও এটি হতে পারে। মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি, বমি বমি ভাব, মনোযোগে সমস্যা বা কিছু সময়ের ঘটনা মনে না থাকার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে আঘাতের আগে বা পরের কিছু সময়ের স্মৃতি সাময়িক ভাবে হারিয়ে যেতে পারে। তাই কনকাশনের পর চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে বিশ্রাম ও পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ।
জ্যাসমিনের ক্ষেত্রেও স্টান্টের পরের কিছু সময়ের ঘটনা মনে না থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃদু কনকাশন ধরা পড়ার পর ৭২ ঘণ্টা সম্পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছিলেন।
এই ঘটনায় ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি ১৫’-এর টিমের সহযোগিতার কথাও জানিয়েছেন জ্যাসমিন। চ্যানেল, প্রযোজনা সংস্থা, নিরাপত্তা দল এবং চিকিৎসকদের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, ঘটনার পর তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত পর্যবেক্ষণেও রাখা হয়েছিল।
শুধু শারীরিক ধাক্কা নয়, ঘটনাটি মানসিক ভাবেও যথেষ্ট কঠিন ছিল জ্যাসমিনের জন্য। কারণ, নিজের জীবনের একটি ঘটনার পুরোটা মনে না থাকার অভিজ্ঞতা যে কতটা অস্বস্তিকর, তা নিজেই অনুভব করেছেন তিনি। তবে সেই ভয় কাটিয়ে ফের নিজের ‘ফাইটার স্পিরিট’ ফিরে পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

‘অভিজ্ঞতাটি মানসিক ভাবে কঠিন ছিল। তবে এটি নিজের সম্পর্কে আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আমি ভয় পেয়েছিলাম ঠিকই, কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের লড়াকু মনোভাব ফিরে পেয়েছি,’ বলেন জ্যাসমিন।
‘খতরোঁ কে খিলাড়ি ১৫’ শুরু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক কঠিন স্টান্টের কারণে খবরের শিরোনামে। প্রথম সপ্তাহে প্রতিযোগীদের পেলেট গান নিয়ে বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। পরের সপ্তাহে হাতের উপর গরম মোম ঢেলে স্টান্ট করার মতো কঠিন পরীক্ষাও দিতে হয় তাঁদের।
এই নিয়ে তৃতীয়বার ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি’-তে দেখা যাচ্ছে জ্যাসমিন ভাসিনকে। কালার্স টিভি-তে সম্প্রচারিত হচ্ছে শোটি। পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে জিও হটস্টারেও।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
৬ মাসে ১৪ শৃঙ্গজয়ী, অকালপ্রয়াত কিংবদন্তি নির্মল পুরজার নামে এবার হিমালয়ের উদ্ভিদকে চিনবে বিশ্ব
-
১৫০ বছরের ইতিহাসে পারেননি কেউ, ছক্কার তাণ্ডবে টেস্টে বিশ্ব রেকর্ড পন্থের
-
আইটি সেলের প্রধান পদ থেকে ‘বাদ’, অমিত মালব্যকে নিয়ে বড় পরিকল্পনা বিজেপির?
-
‘সৌদিতে ভিক্ষা করবেন না’, মান বাঁচাতে দেশের হজযাত্রীদের কড়া বার্তা পাকিস্তানের
-
‘মোটা টাকার বিনিময়ে সোনাক্ষীকে বদনাম করে বিজেপি আইটি সেল’, বিস্ফোরক শত্রুঘ্ন!