দেশের অন্যতম শীর্ষ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’য় সাইবার হামলা (Bank of Baroda Cyber Attack)। কোটি কোটি গ্রাহকের তথ্য হাতিয়ে তা ফাঁস করে দেওয়া হল ডার্ক ওয়েবে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। হ্যাকার গোষ্ঠীর তরফে দাবি করা হয়েছে, ব্যাঙ্কের সার্ভারে হানা দিয়ে প্রায় ১ টেরাবাইট বা ১টিবি তথ্য পেয়েছে তারা। যেখানে গ্রাহকদের নাম, আধার কার্ড, ঋণ সংক্রান্ত সমস্ত কিছু রয়েছে। এই সব তথ্য ঘুরছে ডার্ক ওয়েবে।
আরও পড়ুন:
‘ক্যাশলেসকনজিউমার’-এর প্রতিষ্ঠাতা শ্রীকান্ত লক্ষ্মণ ফাঁস হয়ে যাওয়া এই নথির নমুনা প্রকাশ করে এই ঘটনাকে সাইবার বিপর্যয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। জানা যাচ্ছে, গত ২৫ জুলাই ডার্ক ওয়েব ট্র্যাকিং সাইট ‘ransomeware.live’-এর মাধ্যমে প্রথমবার তথ্য ফাঁসের বিষয়টি সামনে আসে। শ্রীকান্ত জানান, তিনি এই নথিগুলি যাচাই করে ব্রাঞ্চ অডিট, লোন অ্যাপ্রাইজাল, অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ এবং গ্রাহকদের আবেদনপত্র খুঁজে পেয়েছেন। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও হ্যাকার সংগঠন এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি। তবে শ্রীকান্তের অনুমান এর নেপথ্যে রয়েছে ‘ট্রিপলএক্স’ নামের একটি নতুন হ্যাকার দল। এর আগে ইন্দোনেশিয়ার একটি ব্যাঙ্কে প্রায় ২টিবি ডেটা চুরিতে যুক্ত ছিল সংগঠনটি। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বা বরোদা ব্যাঙ্কের তরফেও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
গত ২৫ জুলাই ডার্ক ওয়েব ট্র্যাকিং সাইট ‘ransomeware.live’-এর মাধ্যমে প্রথমবার তথ্য ফাঁসের বিষয়টি সামনে আসে।
হ্যাকার গোষ্ঠীর তরফে দাবি করা হয়েছে, ফাঁস হয়ে যাওয়া ওই ১টিবি ডেটার মধ্যে রয়েছে, গ্রাহকদের সেভিংস ও কারেন্ট অ্যাকাউন্টের রেকর্ড, ঋণ সংক্রান্ত এবং নেট ব্যাঙ্কিংয়ের তথ্য, এনআরআই ও কর্পোরেট ব্যাঙ্কিং পরিষেবা সংক্রান্ত রেকর্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন শাখা ও এটিএম সংক্রান্ত নথিও। গ্রাহকদের নাম, ফোন নম্বর এবং আধার তথ্যও রয়েছে এই তালিকায়। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় প্রশ্নের মুখে গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তা।
অবশ্য দেশের ব্যাঙ্ক-সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় সাইবার হামলার ঘটনা এই প্রথম নয়। সম্প্রতি ভারতের তামিলনাড়ুর কুদানকুলাম পরমাণু কেন্দ্রের ১৯০০০টি সংবেদনশীল ফাইল ফাঁস হওয়ার তথ্য সামনে এসেছে। পরমাণু কেন্দ্রটির ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অনিল আম্বানির রিলায়েন্স এডিএজি-র একটি সার্ভার হ্যাক করে এই তথ্য হাতায় হ্যাকিং সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড লিকস’। ফাঁস হওয়া নথিপত্রের মধ্যে রয়েছে পরমাণু কেন্দ্রের বিভিন্ন অংশের স্থাপনার নকশা, আভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা, যন্ত্রাংশের নকশা, সরবরাহকারীদের বিস্তারিত বিবরণ, এমনকী নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্যও।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ