সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খোলা ময়দানে নেমে মুখোমুখি লড়াইয়ে আসতে মার্ক জুকেরবার্গকে (Mark Zuckerberg) চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন এলন মাস্ক (Elon Musk)। টুইটার মালিকের আহ্বান, নির্দিষ্ট সীমানার ঘেরাটোপে এসে একে অপরের মুখোমুখি লড়াই করে কার ক্ষমতা কত তা মেপে নেওয়া যাক! তার পরেই সোজাসাপটা জবাব দিলেন মেটা (META) প্রধান। মার্ক জুকেরবার্গ জানালেন, চ্যালেঞ্জ নিতে তাঁর কোনও আপত্তি তো নেই বটেই। বরং কোথায় কবে পৌঁছতে হবে সেটা জানিয়ে দিলেই তিনি হাজির থাকবেন। এর জবাবে মাস্ক জানালেন, ‘ভেগাস অক্টাগনই এর জন্য সেরা জায়গা হতে পারে।’
কথার উপর কেবল কথা। একবার মাস্ক চ্যালেঞ্জ ছোড়েন তো জুকেরবার্গ জবাব দেন। আবার তার পাল্টা জবাব দেন টুইটার কর্তা। সোশ্যাল মিডিয়া দুনিয়ার দখলদারি কার মুঠো কতটা, তা নিয়েই লড়াই মূলত। যদিও তা শুরু হয়েছিল হালকা চালেই। আসলে মার্ক জুকেরবার্গের মেটা একটি মাইক্রোব্লগিং পোর্টাল আনার পরিকল্পনা করছে– থ্রেডস। টুইটারের বাজার দখলের লক্ষ্যেই তাদের এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে পাকিস্তানের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ল, এবার বিস্ফোরক বিবৃতি পাক বিদেশমন্ত্রকের]
অন্যদিকে ইনস্টাগ্রামে জিউ জিৎসু-র জনপ্রিয় চরিত্র মাইকি মুশুমেকিকে নিয়ে একাধিক পোস্ট করেন মার্ক। তার জেরেই রিংয়ের ভিতর ঘেরাটোপে এসে তাঁকে সরাসরি ‘লড়াইয়ের’ বার্তা দেন এলন মাস্ক। জবাবে লড়াইয়ের জায়গা জানতে চাইলে টুইটার কর্তা বলেন ভেগাস অক্টাগনই সেরা জায়গা হতে পারে। উল্লেখ্য, লাস ভেগাসের আট কোণা এই রিং ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা জায়গা হিসাবে পরিচিত। তাই সেখানেই ‘কেজ ম্যাচ’-এ যোগ দিতে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বীকে ডাক দিলেন মাস্ক। জবাবে অবশ্য জুকেরবার্গ জানাননি কিছুই। কিন্তু টুইটার আর থ্রেডস-এর লড়াই যে জোরদার হতে চলেছে তা এখন থেকেই বোঝা যাচ্ছে। অবশ্য মার্ক-মাস্ক লড়াই অনেক পুরনোই। দু’জনেই সুযোগ পেলে একে অন্যকে কটাক্ষ করতে ছাড়েন না।
[আরও পড়ুন: ‘সংখ্যালঘুদের অধিকার সুরক্ষিত না হলে…’, মোদির সফরের মধ্যেই মন্তব্য ওবামার]
সর্বশেষ খবর
-
‘পাতাল থেকে খুঁজে আনব’, বাগনানে দলীয় কর্মী খুনে কড়া শুভেন্দু
-
‘অন্ধজনে দেহো আলো…’, দৃষ্টিহীন ছেলেকে রোনাল্ডোর গোল ‘দেখালেন’ বাবা
-
ধর্মতলাতেই ‘শহিদ দিবস’ করতে চায় কালীঘাট তৃণমূল, চিঠি গেল কলকাতা পুলিশে
-
২০২১-এ শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা! বারবনির ‘ত্রাস’ তৃণমূল নেতাকে কোমরে দড়ি পুলিশের, জুতো জনতার
-
জেনেভায় বিশ্বের বৃহত্তম পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগারের সামনে নটরাজ শিব, ধর্ম নয়, নেপথ্যে বিজ্ঞান!