Technology

গ্রাহকের মোবাইলে ভাইরাস ঢুকিয়ে বেআইনিভাবে কোটি টাকা আয়, দোষী সাব্যস্ত চিনের এই সংস্থা

সাবধান! মোবাইল সংস্থার এই কারসাজির শিকার হচ্ছেন না তো আপনি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২০, ১৮:০১

options
link
গ্রাহকের মোবাইলে ভাইরাস ঢুকিয়ে বেআইনিভাবে কোটি টাকা আয়, দোষী সাব্যস্ত চিনের এই সংস্থা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ বিপাকে চিনা (China) মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা জিওনি। ইচ্ছাকৃতভাবে ইউজারদের মোবাইলে ভাইরাস (Virus) ঢুকিয়ে তা থেকে কোটি কোটি আয়ের অভিযোগে চিনা এই সংস্থাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে চিনের একটি আদালত। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত দু’কোটিরও বেশি ইউজারের মোবাইল ফোনে ভাইরাস ঢুকিয়ে দিয়েছিল জিওনি (Gionee)। তাও আবার ইচ্ছাকৃতভাবে।

Advertisement

অবৈধভাবে মোবাইল ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের জন্য এই ঘটনায় অভিযুক্ত সংস্থার চার জন আধিকারিককে অপরাধী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেকের ২ লক্ষ ইউয়ান (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২২ লক্ষ টাকা) এবং সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে চিনের আদালত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: এবার নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য মিলবে এই অ্যাপে, জেনে নিন খুঁটিনাটি]

জানা গিয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবেই সংস্থাটি ওই কাজ করেছে। ‘স্টোরি লক স্ক্রিন’ (Story Lock Screen) অ্যাপ্লিকেশনটির আপডেটের মাধ্যমে দু’‌কোটিরও বেশি ইউজারের ফোনে ‘‌ট্রোজান হর্স’‌ (Trojan Horse) ভাইরাসটি ঢোকানো হয়েছিল। তাও আবার ব্যবহারকারীর অজ্ঞাতসারে। ডার্ক হর্স প্লাটফর্ম ব্যবহার করে এই কাজটি সেরেছিল তারা।

Advertisement

এই কারসাজি মূলত করেছিল জিওনির (Gionee) সহযোগী সংস্থা শেনঝেন ঝিপু (Shenzhen Zhipu) টেকনোলজি প্রাইভেট লিমিটেড নামে অপর একটি চিনা সংস্থা। এই ভাইরাসটি ব্যবহারকারীর অজ্ঞাতেই অপ্রয়োজনীয় বিজ্ঞাপন দেখানো–সহ আরও বেশ কিছু বেআইনি কার্যকলাপ করত। আর এই কাজের জন্য অর্থ পেত সংস্থাটি।

[আরও পড়ুন: আরও সহজ হচ্ছে রেলযাত্রা, হোয়াটসঅ্যাপেই মিলবে পিএনআর স্টেটাস-সহ খুঁটিনাটি তথ্য]

এখানেই শেষ নয়, এই পদ্ধতিতেই বিপুল টাকা আয়ও করেছিল ওই সংস্থা। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই সময়ের মধ্যে সংস্থাটি ট্রোজান হর্সের মাধ্যমে তাদের আয় হয়েছিল ৪২ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩১ কোটি টাকা)। বদলে তাঁদের ব্যয় হয়েছিল মাত্র ১৩ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯.৫৯ কোটি টাকা)। তবে এই প্রথম নয়, এর আগে একাধিক চিনা মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে। এবার দোষী সাব্যস্ত হয়ে মোটা অঙ্কের জরিমানা দিতে হচ্ছে, তাতে হয়ত খানিকটা শিক্ষা হবে চিনা সংস্থাটির।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.