সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডিজিটাল অর্থনীতিতে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রণী দেশ ভারতই। বিজেপির (BJP) কোনও নেতা নয়, এই দাবি করলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মাইকেল স্পেন্স। সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনীতি হয়ে উঠেছে। প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে অর্থনীতিতে (Digital Economy) নোবেল জিতেছিলেন তিনি।
গ্রেটার নয়ডায় বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ও ফ্যাকাল্টিদের সঙ্গে কথা বলছিলেন ওই অর্থনীতিবিদ। সেই সময়ই তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ সম্ভাব্য বৃদ্ধির হার-সহ প্রধান অর্থনীতি হল ভারত। সাফল্যের সঙ্গে বিশ্বের সেরা ডিজিটাল অর্থনীতি ও অর্থনৈতিক পরিকাঠামো ভারতেরই।” সারা বিশ্বের অর্থনীতিতেই যে বিরাট পরিবর্তন এসেছে, সেকথাও জানিয়েছেন তিনি। অতিমারী, জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার পরিস্থিতিতে ৭০ বছরের পুরনো অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলেই মত স্পেন্সের।
[আরও পড়ুন: ছাত্রীরাই পুরোহিত! সরস্বতী পুজোর আগে প্রশিক্ষণ পুরুলিয়ার এই কলেজে]
প্রসঙ্গত, বার বার ডিজিটাল অর্থনীতির হয়ে সওয়াল করতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। ২০১৬ সালের নভেম্বরে নোটবাতিলের সময় থেকেই এমন কথা শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। এমনকী, নিজের মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এও ডিজিটাল লেনদেনের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মোদি বলেছেন, সকল দেশবাসীর উচিত ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন করা। কার্যতই দেশে ডিজিটাল বিপ্লব দেখা দিয়েছে, একথাও প্রায়ই বলে থাকেন বিজেপি নেতারা। সেই কথাই এবার শোনা গেল নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের মুখে।
[আরও পড়ুন: বিলেতে আমন্ত্রিত মমতা, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডাক পেয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত]
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের