মোবাইল নম্বর পোর্ট

গ্রাহকদের জন্য সুখবর, এবার মাত্র এই ক’দিনেই মোবাইল নম্বর পোর্ট করা যাবে

জেনে নিন মোবাইল নম্বর পোর্টেবল করার প্রক্রিয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯, ২০:২১

options
link
গ্রাহকদের জন্য সুখবর, এবার মাত্র এই ক’দিনেই মোবাইল নম্বর পোর্ট করা যাবে
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মোবাইল নম্বর একই রেখে বদলে ফেলা যাবে টেলিকম অপারেটর। এ সুবিধা বহু আগে থেকেই চালু করেছে ভারতের টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি (TRAI) বা ট্রাই। ধরুন আমি রাজ্যের এক শহর থেকে অন্য শহরে গেলেন। সেখানেও মোবাইল নম্বর অপরিবর্তিত রেখেই টেলিকম অপারেটরের পরিষেবা নিতে পারবেন। তবে শুধু রাজ্যের মধ্যেই নয়, এই নিয়ম প্রযোজ্য গোটা দেশেই। অর্থাৎ দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকেই আপনার মোবাইল নম্বরটি পোর্টেবল করে নিতে পারবেন। কিন্তু এতকাল এই গোটা প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে সময় লাগত অন্তত ১৫ দিন। এবার ট্রাইয়ের নয়া নিয়মে মাত্র তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যেই মোবাইল নম্বর পোর্টেবল হয়ে যাবে। নিয়মটি চালু হল আজ অর্থাৎ সোমবার থেকে। চলুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক এই সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

Advertisement

কবে নতুন নিয়মের ঘোষণা হয়েছিল?
গতবছর ডিসেম্বর ট্রাই প্রথম জানিয়েছিল এই নিয়মের কথা। তখনই বলা হয়েছিল আগামী ছ’মাসের মধ্যে মোবাইল নম্বর পোর্ট করার নিয়ম চালু হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ভুয়ো খবর থেকে সাবধান! CAA নিয়ে অশান্তি রুখতে সতর্ক করল ভারতীয় সেনা]

মোবাইল নম্বর পোর্টেবল করার প্রক্রিয়াটি কী?
নতুন প্রক্রিয়া অনুযায়ী, নতুন টেলিকম সংস্থাটি পুরনো পরিষেবকের থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে নিতে পারবে। ভেরিফিকেশন শেষ হলে পোর্ট করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গ্রাহককে একটি ইউনিক পোর্টিং কোড (UPC) পাঠানো হবে। কিন্তু কীভাবে তা হবে?

Advertisement

১. এই UPC জেনারেট করতে হলে ‘PORT’ <space> এবং নিজের দশ অঙ্কের মোবাইল নম্বর দিয়ে 1900 নম্বরে একটি এসএমএস করতে হবে।
২. এই কোড সব সার্কেলের জন্য বৈধ ৪ দিন। জম্মু কাশ্মীর, আসাম, উত্তর-পূর্ব ভারতের ক্ষেত্রে এর সময়সীমা ৩০ দিন।
৩. যে টেলিকম অপারেটরে নম্বরটি পোর্ট করতে চান, সেই অপারেটরের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে যেতে হবে।
৪. কাস্টমার অ্যাকুইজিশন ফর্ম (সিএএফ) এবং পোর্ট ফর্ম পূরণ করতে হবে। KYC ডকুমেন্ট দেওয়ার পর করতে হবে পেমেন্ট।
৫. সব ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার পর একটি নতুন সিম ইস্যু করা হবে। এরপর পোর্টিং রিকোয়েস্টের জন্য একটি এসএমএসও পাবেন গ্রাহক।

[আরও পড়ুন: OMG! ফ্লিপকার্টে iPhone 11 Pro অর্ডার করে এ কী পেলেন ইঞ্জিনিয়ার!]

৬. সেখানেই পোর্টিংয়ের দিনক্ষণের বিস্তারিত তথ্য থাকবে।
৭. প্রত্যেক পোর্ট আবেদনের জন্য দিতে হবে ৬.৪৬ টাকা।
৮. পোর্টের দিন রাতে চার ঘন্টার জন্য বন্ধ থাকবে পরিষেবা।
৯. বাতিল করতে চাইলে গ্রাহককে CANCEL <space> নিজের দশ অঙ্কের মোবাইল নম্বর লিখে এসএমএস পাঠাতে হবে 1900 নম্বরে।
১০. পোর্টিংয়ের আবেদন করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাতিলের আবেদন করতে হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন