Chhattisgarh

নিশিরাতে আপনা থেকেই বাজে ঘণ্টা, দেশের এই রহস্যময় শিবমন্দিরে গিয়েছেন?

নিঝুম রাত। প্রকাণ্ড গাছের ছায়ায় ঢেকেছে চারপাশ। পাহাড়ি বাঁকে থমথম করছে গা-ছমছমে অন্ধকার। নির্জন সেই অরণ্যে কান পাতলেই নাকি শোনা যায় এক অলৌকিক ঘণ্টাধ্বনি! দিনের আলো নিভলে আপনা থেকে বেজে ওঠে মন্দিরের ভারী ঘণ্টা। কে বাজায় সেই ঘণ্টা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২৬, ২০:১৯

options
link
নিশিরাতে আপনা থেকেই বাজে ঘণ্টা, দেশের এই রহস্যময় শিবমন্দিরে গিয়েছেন?
কে বাজায় সেই অলৌকিক ঘণ্টা? ছবি: সংগৃহীত

নিঝুম রাত। প্রকাণ্ড গাছের ছায়ায় ঢেকেছে চারপাশ। পাহাড়ি বাঁকে থমথম করছে গা-ছমছমে অন্ধকার। নির্জন সেই অরণ্যে কান পাতলেই নাকি শোনা যায় এক অলৌকিক ঘণ্টাধ্বনি! দিনের আলো নিভলে আপনা থেকে বেজে ওঠে মন্দিরের ভারী ঘণ্টা। কে বাজায় সেই ঘণ্টা?

Advertisement

গন্তব্য ছত্তিশগড়ের গরিয়াবন্দ জেলা। পাহাড় আর ঘন অরণ্যের কোলে লুকিয়ে রয়েছে অত্যন্ত প্রাচীন গুপ্তেশ্বর মহাদেব মন্দির। এটি কেবল ভক্তদের আধ্যাত্মিক কেন্দ্র নয়, ভ্রমণপিপাসুদের কাছেও এক রহস্যময় স্থান। স্থানীয়দের দাবি, রাতে মন্দিরের ভারী দরজায় শিকল তুলে দেওয়ার পর চারপাশ যখন নিস্তব্ধ প্রায়, তখনই প্রাঙ্গণ থেকে ভেসে আসে ঘণ্টার সুস্পষ্ট ধ্বনি।

Advertisement

ভক্তদের কাছে এই শব্দের গুরুত্ব অপরিসীম। তাঁদের বিশ্বাস, এটি সাক্ষাৎ মহাদেবের দিব্য উপস্থিতি। শাস্ত্র মতে, এই ঘণ্টার পবিত্র ধ্বনি চারপাশের সমস্ত নেতিবাচক শক্তি দূর করে মনকে শান্ত করে। জ্যোতিষ ও পণ্ডিতদের মতে, এই প্রাচীন তীর্থস্থানে পুঞ্জীভূত আধ্যাত্মিক শক্তি ভক্তদের মননে গভীর প্রভাব ফেলে। বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা অবশ্য ভিন্ন। গবেষকদের একাংশের মতে, পাহাড়ি অঞ্চলের তীব্র হাওয়া কিংবা ধাতুর কম্পন এমন ঘণ্টার মতো ভ্রম তৈরি করতে পারে। তবে এর অকাট্য কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ মেলেনি এখনও। ফলে ভক্তদের নিখাদ বিশ্বাসে আজও চির ধরেনি।

Advertisement
Exploring Gupteshwar Mahadev Temple Mysteries In Chhattisgarh Forest
ছবি: সংগৃহীত

শ্রাবণে ভক্তদের ঢল
পবিত্র শ্রাবণ মাস এবং মহাশিবরাত্রিতে এই ধামের চিত্র বদলে যায়। দূর-দূরান্ত থেকে নাম না জানা অগণিত মানুষ ছুটে আসেন। মহাধুমধামে চলে জলাভিষেক ও রুদ্রাভিষেক। মানত করলে স্বয়ং মহাদেব তা শোনেন বলে বিশ্বাস ভক্তদের।

কখন যাবেন?
বছরজুড়ে আবহাওয়া বেশ মনোরম থাকে। তবে শীতকালে অর্থাৎ অক্টোবর থেকে মার্চ মাসের মধ্যে ঘুরে আসা সবচেয়ে ভালো। এ ছাড়া ধর্মীয় আবহ ও উৎসবে সামিল হতে চাইলে শ্রাবণ মাস কিংবা মহাশিবরাত্রির সময় বেছে নিতে পারেন।

কীভাবে যাবেন?
ট্রেনে রায়পুর রেলওয়ে স্টেশনে নামতে হবে। স্টেশন থেকে সড়কপথে গরিয়াবন্দ জেলার দূরত্ব প্রায় ৯০ কিলোমিটার। বাস বা ট্যাক্সি ভাড়া করে সহজেই পৌঁছানো যায় পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা এই প্রাচীন গুপ্তেশ্বর মহাদেব মন্দিরে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.