সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্বজুড়ে জারি হয়েছে লকডাউন। এই সময় বাড়ির বাইরে বেরনো নিষেধ। কিন্তু লকডাউন উঠে গেলেও দেশবাসীর জন্য দেশের সর্বত্র অবারিত দ্বার থাকবে না। এ বছর নাথুলা পাস হয়ে ভারত-চিনের মধ্যে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। একথা জানিয়েছেন সিকিমের পর্যটন মন্ত্রী বি এস পান্থ। তিনি আরও বলেন এ বছরের জন্য সীমান্ত বাণিজ্যও স্থগিত রাখা হয়েছে।
নাথুলা পাস দিয়ে সীমান্ত বাণিজ্য মে মাসে শুরু হয়। অন্যদিকে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা শুরু হয় জুন মাসে। লিপুলেখ পাস (উত্তরাখণ্ড) এবং নাথুলা পাস (সিকিম)- দু’টি পৃথক রুট দিয়ে প্রতি বছর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যাত্রা আয়োজন করে বিদেশ মন্ত্রক। এই যাত্রায় প্রতিবছর কয়েকশো মানুষ অংশ নেন। হিন্দুদের পবিত্র ক্ষেত্র কৈলাস মানস সরোবরে তীর্থ করতে যান তাঁরা। কিন্তু বুধবার পান্থ একটি সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেন, এ বছর কৈলাস ও মানস সরোবর যাত্রা স্থগিত রাখা হবে। করোনা সংক্রমণ যাতে বেশি সংখ্যক মানুষের মধ্যে না ছড়াতে পারে তাই এই সিদ্ধান্ত। এই একই কারণে বন্ধ থাকবে সীমান্ত বাণিজ্যও।
[ আরও পড়ুন: লকডাউনের জেরে মুখ থুবড়ে পড়ল উত্তরবঙ্গের ফিল্ম ট্যুরিজম, কয়েক কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা ]
২০০৬ সাল থেকে মে মাসে শুরু হয় ভারত-চিন সীমান্ত বাণিজ্য। অন্যদিকে চার দশকেরও বেশি সময় পর দু’বছর আগে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রাপথ খোলে। সিকিমের পর্যটন মন্ত্রী বলেন, “করোন ভাইরাসের জেরে সিকিমের পর্যটন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। রাজ্য সরকার ১০ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব হারিয়েছে। দেশে যখন করোনা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে, তখনই সিকিমে ঢোকা অভ্যন্তরীণ ও বিদেশী পর্যটকের জন্য নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। তার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের পর্যটন।
[ আরও পড়ুন: ক্রমেই ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে করোনা, সংক্রমণ রুখতে দিঘায় জমায়েতে ‘না’ প্রশাসনের ]
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
‘তেল পাবেন না, গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ’, লালকেল্লায় বিরোধীদের বিঁধলেন মোদি
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর