Independence Day

সপ্তাহান্তে স্বাধীনতা দিবস, ভিড় এড়িয়ে দু’দিনের ছুটিতে কলকাতার কাছে ঘুরে আসুন এই ৩ ঠিকানায়

১৫ আগস্ট মানেই লালকেল্লায় পতাকা উত্তোলন। এই বিশেষ দিনে ঘরে বন্দি না থেকে বেরিয়ে পড়তে পারেন ঘরের কাছেই। দু'দিনের ছুটিতে কোথায় যাবেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২৬, ১৭:০৩

options
link
সপ্তাহান্তে স্বাধীনতা দিবস, ভিড় এড়িয়ে দু’দিনের ছুটিতে কলকাতার কাছে ঘুরে আসুন এই ৩ ঠিকানায়
কলকাতার কাছেই রয়েছে এমন ৩ আদর্শ ঠিকানা। জেনে নিন।

১৫ আগস্ট মানেই লালকেল্লায় পতাকা উত্তোলন। আর এক মুঠো ছুটির আনন্দ। এই বিশেষ দিনে ঘরে বন্দি না থেকে বেরিয়ে পড়তে পারেন ঘরের কাছেই। যেখানে সকালে রওনা হয়ে সারা দিন ঘুরে সন্ধ্যায় ফেরা যায়। পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। অল্প সময়ে কলকাতার কাছেই রয়েছে এমন ৩ আদর্শ ঠিকানা।

Advertisement
পিয়ালি আইল্যান্ড

প্রকৃতির নির্জনতায় পিয়ালি আইল্যান্ড
সুন্দরবনের প্রবেশপথ বলা হয় পিয়ালি দ্বীপকে। শহর ছাড়িয়ে গ্রামের পথ ধরলেই চোখে পড়বে মাতলা ও পিয়ালি নদীর অপূর্ব মিলন। বর্ষার দিনে এই দ্বীপের সবুজ রূপ চোখ জুড়িয়ে দেয়। নদীর বুকে নৌকোবিহার এবং চরে নানা পাখির ঘোরাঘুরি দেখতে পাবেন এখানে। গ্রাম্য মানুষের সরলতা আর নদীর হাওয়া নিমেষেই ক্লান্তি ভুলিয়ে দেবে।

Advertisement

যাতায়াত: শিয়ালদহ থেকে জয়নগরের লোকাল ধরে দক্ষিণ বারাসত স্টেশনে নামতে হবে। সেখান থেকে অটোয় কেল্লা পৌঁছে হেঁটে পিয়ালি দ্বীপ।

Advertisement

খাবার: একেবারেই গ্রাম্য পরিবেশ। তাই বাড়ি থেকে সঙ্গে খাবার নিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

দামোদরের বুকে তৈরি রণডিহা ব্যারেজ।

জলধারার রূপ দেখতে রণডিহা
একঘেয়ে চেনা ছকের বাইরে ঘুরে আসতে পারেন বর্ধমানের রণডিহায়। দামোদরের বুকে তৈরি এই ব্যারেজ বর্ষায় অন্য রূপ নেয়। লকগেট দিয়ে জল ছাড়ার দৃশ্য দেখতে এখন অনেকেই ভিড় জমান। বাদল মেঘে এখানকার পরিবেশ হয়ে ওঠে রূপকথার মতো। শান্ত বাঁধানো চত্বরে বসে সূর্যাস্ত দেখার আনন্দই আলাদা।

যাতায়াত: হাওড়া থেকে পানাগড়গামী যে কোনও ট্রেনে যাওয়া যায়। পানাগড় থেকে অটো বা বাসে সোজা রণডিহা।

খাবার: পর্যটকের সংখ্যা কম বলে এখানেও সঙ্গে শুকনো খাবার ও জল রাখা জরুরি।

আলিপুর জেল মিউজিয়াম

ইতিহাসের খোঁজে আলিপুর জেল মিউজিয়ামে
শহরের বাইরে না গিয়ে কাটাতে চাইলে আলিপুর জেল মিউজিয়াম সেরা পছন্দ। ২০২২ সালে এই ঐতিহাসিক সেন্ট্রাল জেলটি সংগ্রহশালায় রূপান্তরিত হয়। স্বাধীনতা দিবসে দেশের সংগ্রামের ইতিহাস নতুন করে জানার এটি চমৎকার সুযোগ। সুভাষচন্দ্র বসু, চিত্তরঞ্জন দাসের মতো মনীষীদের স্মৃতিবিজড়িত এই প্রাঙ্গণ। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো। বেলা ১১টায় এটি দর্শনার্থীদের জন্য খোলে।

যাতায়াত: হাওড়া থেকে ক্যাব ধরে হাজরা মোড়ের কাছে আলিপুর জেলে সহজে পৌঁছানো যায়। নিকটতম মেট্রো স্টেশন হল নেতাজি ভবন বা যতীন দাস পার্ক।

খাবার: মিউজিয়াম চত্বরেই ক্যাফে রয়েছে। পাশাপাশি কাছেই রয়েছে কলকাতার বহু জানা-অজানা রেস্তোরাঁ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.