সাইপ্রাস

হদিশ মিলল ২৬০০ বছরের পুরনো গাছের, হতবাক বিজ্ঞানীরা

কীভাবে এতদিন বাঁচল এই গাছ? দেখুন ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০১৯, ১৭:২১

options
link
হদিশ মিলল ২৬০০ বছরের পুরনো গাছের, হতবাক বিজ্ঞানীরা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যিশু খ্রিস্টের জন্মের আগে থেকেই অস্তিত্ত্ব রয়েছে এই গাছের। বয়স আনুমানিক ২৬২৪ বছর। অতি-প্রাচীন এই সাইপ্রাস গাছটির হদিশ মিলল সম্প্রতি। আমেরিকার উত্তর ক্যারোলিনায়, ব্ল্যাক নদীর ধারে। আর গবেষণায় জানা গেল, এই আপাত-ন্যাড়া গাছটি শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বের অন্যতম পুরনো গাছ। যা রোপণ করা হয়েছিল ৬০৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: গরম কতটা জানাবে সাপ! অরুণাচলে খোঁজ মিলল নতুন প্রজাতির বিষধরের]

গবেষক দলের নেতৃত্বে থাকা আরকানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওসায়েন্সের অধ্যাপক, ডেভিড স্ট্যাহলের দাবি, “নদী সংলগ্ন যে জঙ্গল এলাকায় এই সাইপ্রাস গাছটি অবস্থিত, সেই জঙ্গলটিও বিশ্বের মধ্যে অন্যতম পুরনো জঙ্গল। তবে নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে গাছটির অবস্থান ‘থ্রি সিস্টার্স সোয়াম্প’ বলে এক এলাকায়, যেখানে এরকম একাধিক পুরনো গাছ রয়েছে।” তবে অন্যতম প্রাচীন হলেও আমেরিকার সবচেয়ে প্রাচীন এই গাছটি নয়। আমেরিকার প্রাচীনতম গাছটির অবস্থান ক্যালিফোর্নিয়ায়। সেটি একটি ব্রিসিলকোন পাইন গাছ। বয়স ৫০০০ বছর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: OMG! কাঠবিড়ালির কাঁচা মাংস খেয়ে এ কী হাল হল দম্পতির!]

কিন্তু, এই সাইপ্রাস গাছটির এতদিন ধরে বেঁচে থাকার রহস্যটা কী? বিজ্ঞানীরা বলছেন সাইপ্রাস হল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নন-ক্লোনাল ট্রি। গোটা উত্তর ক্যারোলিনার ব্ল্যাক নদীর তীরবর্তী এলাকার গোটাটাই এই ন্যাড়া সাইপ্রাস গাছে ভরতি। গোটা এলাকায় একাধিক গাছ রয়েছে যাদের বয়স ২ হাজার বছর বা তাঁর আশেপাশে। বিজ্ঞনীরা বলছেন, অত্যন্ত দুর্গম এলাকা হওয়ায় এই এলাকায় এখনও মনুষ্য বসতি তৈরি হয়নি। পরিবেশের ভারসাম্যও ততটা বিগড়ে যায়নি। তাই, এই গাছগুলি একে অপরের পরিপূরক হয়ে বেঁচে আছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সাধারণ মানুষ তো বটেই এর আগে এই এলাকায় কোনও গবেষক দলও যায়নি। তাই এত প্রাচীন গাছের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই গাছগুলি যে শুধু পুরনো তাই নয়, এই গাছগুলির গায়ে রয়েছে আংটির মতো দাগ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই রিংগুলি দেখলে বোঝা যাবে কোন বছর এই এলাকায় কী পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.