সম্যক খান, মেদিনীপুর: ডেথ সার্টিফিকেটে “মৃত্যুর উন্নতি সাফল্য কামনা”। যা নিয়ে হইচই নেটদুনিয়ায়। বিতর্কিত এই সার্টিফিকেটটি ইস্যু হয়েছে মেদিনীপুর সদর ব্লকের পাথরা গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে। আর ডেথ সার্টিফিকেটে সই আছে খোদ প্রধানের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই উঠেছে হাসির রোল। নানা ধরনের মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। যদিও এবিষয়ে জানতে চেয়ে বারবার প্রধান ভারতী সিংকে ফোন করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি।
বিতর্কিত ওই ডেথ সার্টিফিকেটটি গত ৩ ফেব্রুয়ারি ইস্যু করা হয়েছে। যেখানে লেখা হয়েছে, “এই মর্মে শংসাপত্র প্রদান করা যায় যে স্বর্গীয় তারকনাথ দোলই, পিতা লালু দোলই, গ্রাম সিজুয়া, পোষ্ট অফিস জাগুল, থানা কোতয়ালি, পশ্চিম মেদিনীপুর অত্র গ্রাম পঞ্চায়েতের স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। তিনি গত ০১.১২.২০২২ তারিখে মারা যান। বর্তমানে উনি মৃত। আমি উক্ত ব্যক্তিকে জানি ও চিনি। ওনার মৃত্যুর উন্নতি সাফল্য কামনা করি।”

[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীকে না জানিয়েই পার্কিং ফি বৃদ্ধি! ফিরহাদকে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের নির্দেশ, জানালেন কুণাল]
শেষ লাইনটি নিয়েই যত বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা অরূপ দাস বলেন, “এটাই তৃণমূলের সংস্কৃতি। মানুষের মৃত্যু হলে তাঁর ডেথ সার্টিফিকেটও ঠিকঠাক দিতে জানে না।” এবিষয়ে প্রধান মুখ খোলেননি। সাফাই দিয়েছেন ব্লক তৃণমূল সভাপতি মুকুল সামন্ত। তিনি বলেন, “প্রধান ওই ডেথ সার্টিফিকেট নিজে লেখেননি। কেউ লিখে তাঁকে দিয়ে সই করিয়েছেন। তবে একবার পড়ে নিয়ে তারপর সই করা দরকার ছিল।” তাঁর সাফাই, “কাজ করলে এধরনের ভুলভ্রান্তি হতেই পারে। গঠনমূলক সমালোচনা ভাল। তবে বিজেপির মুখে সমালোচনা মানায় না।” রাজনৈতিক কচকচানির ঊর্ধ্বে গিয়ে নেটিজেনরা অবশ্য ডেথ সার্টিফিকেটকে হাসির খোরাক হিসাবে দেখছেন।
[আরও পড়ুন: রাজ্যকে অন্ধকারে রেখে নির্দেশ! রাজভবনের চিঠি প্রত্যাহারের দাবি শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্যর]
সর্বশেষ খবর
-
নকশাল নেতা সরোজ দত্তর এনকাউন্টার দেখেছিলেন উত্তমকুমার! ন্যায়-প্রশ্নে বরাবরই বিদ্ধ পুলিশ
-
অসময়ে রথযাত্রা উদযাপন! ওড়িশা থেকে ইসকনের উৎখাত চেয়ে বিক্ষোভ কলিঙ্গ সেনার
-
সরকারি নির্দেশ অমান্য করে হকার উচ্ছেদ! আসানসোলের ৩ আধিকারিককে শোকজ
-
ঝাড়গ্রামে হাতির পাল, বন দপ্তরের কর্মীদের উপর হামলা! উলটে ফেলা হল গাড়ি
-
যত নষ্টের গোড়া আইপ্যাক! ঋতপন্থী তৃণমূলে জেলা সভাপতির দায়িত্ব পেয়েই বিস্ফোরক অনুব্রত