বিশ্বের প্রবীণতম

নিজের হাতে কেক কেটে ১১৭তম জন্মদিন পালন বিশ্বের প্রবীণতম মানুষের

জাপানের বাসিন্দা ওই মহিলার নাম কানে তানাকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২০, ২১:৪৭

options
link
নিজের হাতে কেক কেটে ১১৭তম জন্মদিন পালন বিশ্বের প্রবীণতম মানুষের
কানে তানাকা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় আছে মহিলারা কুড়িতে বুড়ি! কিন্তু, এই প্রবাদ যে সবসময় সত্যি হয় না তা ফের প্রমাণ করলেন জাপানের কানে তানাকা। ১১৭ বছর বয়সে নিজের হাতে কেক কেটে জন্মদিন পালন করলেন বর্তমান বিশ্বের প্রবীণতম এই মানুষটি।

Advertisement

শারীরিক অসুস্থতার জন্য বর্তমানে নার্সিংহোমে ভরতি রয়েছেন কানে। গত ২ জানুয়ারি জন্মদিন উপলক্ষে জাপানের ফুকুওকা শহরের ওই নার্সিংহোমে জড়ো হয়েছিলেন তাঁর পরিবারের লোকেরা। সকাল থেকে বিশ্বের সব থেকে বয়স্ক ওই মানুষটার জন্য সাজসাজ রব পড়ে গিয়েছিল নার্সিংহোমে। সারাদিন ধরেই চলছিল নানা অনুষ্ঠান। এর মাঝেই বেড থেকে উঠে হুইল চেয়ারে করে নার্সিংহোমের হলঘরে এসে সবার উপস্থিতিতে কেক কাটেন কানে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: লিঙ্গবৈষম্যের অভিনব প্রতিবাদ, শাড়ি-গয়না পরে মহিলা সাজলেন কলেজ ছাত্ররা]

 

Advertisement

তারপর একটা টুকরো মুখে দিয়ে একগাল হেসে বলে ওঠেন, ‘খুব ভাল খেতে। আর একটু খাব।’ বয়সের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই মানুষটির মুখে শিশুর মতো কথা শুনে হেসে ওঠেন সকলে। আনন্দে হাততালিও দিতে দেখা যায় অনেককে। শেষে সবাই কানে তানাকার নিরোগ ও সুস্থ জীবনের জন্য প্রার্থনা করেন।

[আরও পড়ুন: মানুষের মাংস পচা মাটিতে ফুটল দৈত্যাকার ফুল, রূপে তাক লাগল নেটিজেনদের]

 

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯০৩ সালের ২ জানুয়ারি জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত ফুকুওকায় জন্ম হয়েছিল কানে তানাকার। বাবা ও মায়ের আট সন্তানের মধ্যে সাত নম্বর ছিলেন তিনি। একটু বড় হওয়ার পর থেকেই ভোর ৬টায় উঠে পড়েন। কোনওরকম অলসতা না দেখিয়ে আগাগোড়া নিজের সব কাজ সারেন ঘড়ি ধরে। সীমিত খাবার খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন শরীরচর্চাও করেন। আর অবসর সময়ে নানা ধরনের অংক করাই তাঁর সবচেয়ে পছন্দের কাজ। ২০১৮ সালেই জাপানের চিও মিয়াকো নামে এক মহিলাকে টপকে বিশ্বের প্রবীণতম মানুষের তকমা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন কানে তানাকা। তারপরই তাঁর নাম উঠেছিল গিনেস বুক অফ রেকর্ডস (Guinness Book of Records)-এ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.