সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কষ্ট, দুর্ভোগ আর তার মাঝেই যদি রাতারাতি ভাগ্য বদলে লাখপতি হওয়া যায়? ভাবছেন তো, ধুর মশাই ও তো স্বপ্ন! বাস্তবে আবার তা হয় নাকি? তাহলে বলে রাখি, মধ্যপ্রদেশের এক শ্রমিক কিন্তু এভাবেই রাতারাতি পরশ পাথরের সন্ধান পেয়েছেন। হতদরিদ্র থেকে সে এখন লাখপতি! গল্প নয়, একেবারে ঘোর বাস্তব। কীভাবে? ওই শ্রমিক হিরের খনিতে কাজ করতে করতেই তিনটি বহুমূল্য হিরে খুঁজে পান। যার বর্তমান বাজারদর ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার বেশি কিন্তু কম নয়!
মধ্যপ্রদেশের পান্না (Madhya Pradesh, Panna) জেলার ঘটনা। যে অঞ্চলের হিরে বিখ্যাত বিশ্বের দরবারে। সেখানকার এক হিরের খনিতে কাজ করার সময়ই দুর্মূল্য তিন টুকরো হিরে খুঁজে পান সুবল নামে ওই শ্রমিক। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, তিনটি হিরের মোট ওজন ৭.৫ ক্যারেট। যার মূল্য এখন ৩৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এপ্রসঙ্গে পান্না জেলার এক ডায়মন্ড অফিসার আর কে পান্ডে জানিয়েছেন, নিয়ম মাফিক ওই ৩ টুকরো হিরে বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যাবে, তার ১২ শতাংশ রাজকর হিসেবে কেটে বাকি ৮৮ শতাংশ টাকা পুরোটাই সুবলের হাতে তুলে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই হিরেগুলি সরকারের কাছে জমা করে দিয়েছেন সুবল। এবার সেগুলি নিলামে উঠবে।
[আরও পড়ুন: ছিলেন বায়ুসেনার উইং কম্যান্ডার, মৃত্যুর আগে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচালেন এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট]
তবে মধ্যপ্রদেশে এমন ঘটনা এই প্রথমবার নয় অবশ্য! গত মাসেও মধ্যপ্রদেশের বুন্দেলখন্ড অঞ্চলের একটি হিরের খনিতে কাজ করতে গিয়ে ১০.৬৯ ক্যারেটের হিরে খুঁজে পেয়েছিলেন অন্য এক শ্রমিক। পান্নার হিরে কার্যালয়ের লোকাল ডায়মন্ড অফিসার আর কে পাণ্ডে জানিয়েছেন যে রানিপুরের একটি খনির লিজ নিয়েছেন আনন্দিলাল খুশাওয়া নামে ৩৫ বছরের এক ব্যক্তি। তিনিই হিরে কার্যালয়ে ১০.৬৯ ক্যারাটের ওই হীরক খণ্ড জমা করেন। সেই আনন্দিলালই সম্প্রতি ৭০ সেন্টের একটি হিরে লোকাল ডায়মন্ড অফিসে জমা করেছেন।
[আরও পড়ুন: ভূমিপুজোর পর প্রধান পুরোহিত প্রধানমন্ত্রীর কাছে দক্ষিণায় কী চেয়েছিলেন জানেন?]
সর্বশেষ খবর
-
‘শুধরে যাও, নাহলে…’, নাম না করে রাষ্ট্রসংঘে ফের ‘সন্ত্রাসী’ পাকিস্তানকে তুলোধোনা জয়শংকরের
-
পুরভোটের আগে ফের সাংগঠনিক রদবদল বঙ্গ বিজেপিতে, বড় দায়িত্বে সজল
-
ভিনিসিয়াস-নুনেজদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠছে যুবভারতী
-
রাষ্ট্রসংঘে মহানাটক! ইরানের দূতকে রহস্যময় উপহার দিতে গেলেন ইজরায়েলের প্রতিনিধি, তারপর…
-
২৪ দিনে ৫৫ নবজাতকের মৃত্যু! বিতর্কে কী বলছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল?