Madhya Pradesh

‘স্যর আমি বেঁচে আছি’, জীবিত প্রমাণে ৬ মাস ধরে সরকারি দপ্তরে চক্কর কাটছেন ‘মৃত’ প্রৌঢ়

গত ৬ মাস ধরে একের পর এক দপ্তরে ঘুরেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। কর্ণের আশঙ্কা যদি সরকারি নথি সংশোধন না হয় সেক্ষেত্রে ৬০ বছর পার হওয়ার পর সরকারের সম্বল যোজনা-সহ বহু সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৬, ২০:০৩

options
link
‘স্যর আমি বেঁচে আছি’, জীবিত প্রমাণে ৬ মাস ধরে সরকারি দপ্তরে চক্কর কাটছেন ‘মৃত’ প্রৌঢ়
নিজেকে জীবিত প্রমাণে সরকারি দপ্তরে কর্ণ।

সরকারি খাতায় তিনি ‘মৃত’, অথচ বাস্তব বলছে বহাল তবিয়তে বেঁচে রয়েছেন তিনি। এই অবস্থায় নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে সরকারি দপ্তরে গত ৬ মাস ধরে চক্কর কেটে চলেছেন মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) এক প্রতিবন্ধী প্রৌঢ়। কিন্তু কে শোনে কার কথা। প্রশাসনিক দপ্তরে নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত জেলা শাসকের কাছে হাজির হয়েছেন ৫৮ বছরের প্রৌঢ় কর্ণ সিং সাওয়ান। সেখানে তিনি বলেন, ‘স্যর আমি জীবিত।’

Advertisement

জানা যাচ্ছে, ডায়াবেটিসের কারণে এক বছর আগে পায়ে গুরুতর সংক্রমণ হয় হারদা জেলার বাসিন্দা কর্ণের। যার জেরে পা কাটা পড়ে তাঁর। বর্তমানে কৃত্রিম পায়ে হাঁটাচলা করেন তিনি। এই অবস্থায় প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে আবেদন করেন কর্ণ। তখনই তিনি জানতে পারেন সরকারি ভুলে পোর্টালে মৃত হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন তিনি। এই অবস্থায় রেকর্ড সংশোধনের করতে গিয়ে সরকারি দপ্তরে গোলকধাঁধায় পড়েন তিনি। গত ৬ মাস ধরে একের পর এক দপ্তরে ঘুরেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। কর্ণের আশঙ্কা যদি সরকারি নথি সংশোধন না হয় সেক্ষেত্রে ৬০ বছর পার হওয়ার পর সরকারের সম্বল যোজনা-সহ বহু সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন তিনি।

Advertisement

গত ৬ মাস ধরে একের পর এক দপ্তরে ঘুরেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। কর্ণের আশঙ্কা যদি সরকারি নথি সংশোধন না হয় সেক্ষেত্রে ৬০ বছর পার হওয়ার পর সরকারের সম্বল যোজনা-সহ বহু সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন তিনি।

এই অবস্থায় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে জেলাশাসকের অফিসে উপস্থিত হন। সেখানে পৌঁছে সরকারি আধিকারিকদের কাছে নিজের যাবতীয় নথিপত্র জমা দিয়েছেন কর্ণ। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মধ্যপ্রদেশের শ্রম দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিক মনীশ চৌরাসিয়া বলেন, বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট পোর্টাল ও নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রযুক্তিগত বিষয় ও ওটিপি যাচাই প্রক্রিয়ার তদন্ত শেষে স্পষ্ট হবে ঠিক কোথায় সমস্যা হয়েছিল। তারপর অবশ্যই প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.