Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৯ জুলাই ২০২৬
Delhi Hotel Fire Incident

ছ’টির লাইসেন্সে পঁচিশটি ঘর! অগ্নিকাণ্ড ২১ জনের মৃত্যুর পর প্রকাশ্যে দিল্লির হোটেলের বেনিয়ম

খাস রাজধানীতে নিয়ম ভেঙে হোটেল ব্যবসার নেপথ্যে কি প্রশাসনের একাংশ? উঠছে প্রশ্ন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৬, ১৫:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৬, ১৫:১৭

options
link
ছ’টির লাইসেন্সে পঁচিশটি ঘর! অগ্নিকাণ্ড ২১ জনের মৃত্যুর পর প্রকাশ্যে দিল্লির হোটেলের বেনিয়ম zoom
এখনও আগুন লাগার কারণ স্পষ্ট নয়।
Advertisement

এদেশে একটি করে অগ্নিকাণ্ড ঘটে, বহু মানুষের মৃত্যু হয় এবং সামনে আসে ঢালাও বেনিয়ম। বুধবার দক্ষিণ দিল্লির মালব্যনগরের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। আহত হয়েছেন ৩৭ জন। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট না হলেও প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর আগুনে পোড়া ‘ফ্লারিশ হোটেল’কে ছয়টি ঘরের অনুমোদন দিয়েছিল, যদিও সেখানে ছিল ২৫টি ঘর। দেশের রাজধানী শহরে সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রমরম করে চলছিল ব্যবসা।

দিল্লি সরকারের ‘বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট’ স্কিমে হোটেলে ঘর নির্মাণের নির্দিষ্ট অনুমোদন দেওয়া হয়। নিবন্ধিত হোটেলগুলির ক্ষেত্রে আট থেকে সর্বোচ্চ ১৬টি ঘরের অনুমোদন দেওয়া হয়ে থাকে। সেখানে মালব্য নগরের হউজ রানি এলাকার হোটেলটি কীভাবে ২৮টি ঘর বানিয়ে দিনের পর দিন ব্যবসা চালাল? কাদের মদতে এমনটা ঘটল? প্রশাসনের একংশই কি দুর্নীতির কারিগর? এইসব প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয় বিধায়ক সতীশ উপধ্যায়কে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেননি। যদিও তদন্ত চলছে ফলে সাফাই দেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বুধবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট নাগাদ পাঁচতলা ফ্লারিশ হোটেলের বেসমেন্টের ‘লেমন গ্রিন’ নামের রেস্তরাঁ থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখেন স্থানীয়রা। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে হোটেলের বিভিন্ন তলায় থাকা ঘরগুলিতে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের অন্তত ১০টি ইঞ্জিন। যদিও দুর্ঘটনায় অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। অধিকাংশ বিদেশি পর্যটক বলে জানা গিয়েছে। হোটেলের বেসমেন্ট থেকে এগারো জনকে উদ্ধার করেছেন দমকল কর্মীরা। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে ওই ব্যক্তিরা কেমন আছেন, তা জানা যায়নি এখনও পর্যন্ত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিহতদের পরিবারকে সহমর্মিতা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গেই ঘোষণা করেছেন মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের চিকিৎসার জন্য ৫০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে।

আম আদমি পার্টির নেতা সোমনাথ ভারতী জানিয়েছেন, “সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও ভয়াবহ। ভবনের ওপরের দিকের কক্ষগুলোতে এখনও বেশ কয়েকজন মানুষ আটকা পড়ে আছেন। এই ভবনটি একটি হোটেল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছিল। এর আগে এটি খাদি গ্রাম ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হত।” সেই সঙ্গেই তাঁর অভিযোগ, খবর পাওয়ার অন্তত ৫০ মিনিট পর দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এদিকে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে অগ্নিকাণ্ডদের নিহতদের ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.