জনসমক্ষে বায়ুত্যাগ নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েননি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। পেটের গুড়গুড়ানি আর তার পরবর্তী দুর্গন্ধ অনেক সময় আড্ডার মেজাজটাই বিগড়ে দেয়। কিন্তু এবার সেই বিড়ম্বনা কাটানোর এক অদ্ভুত দাওয়াই বাতলেছেন জনৈক ফরাসি বৃদ্ধ। তাঁর দাবি, এই বড়ি খেলে শরীর থেকে নির্গত বায়ু আর দুর্গন্ধ ছড়াবে না। উলটে নাকি চারপাশ ম ম করবে চকোলেটের গন্ধে!
আরও পড়ুন:
৬৫ বছর বয়সি ক্রিশ্চিয়ান পোঁশেভাল ফ্রান্সের গেভ্রে গ্রামের বাসিন্দা। বছর খানেক আগে বন্ধুদের সঙ্গে এক এলাহি নৈশভোজ মেতেছিলেন তিনি। খাওয়ার পর বন্ধুদের বাতকর্মে অতীষ্ঠ হয়ে ওঠেন। শরীর থেকে নির্গত বায়ুর গন্ধে প্রায় দমবন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়েছিল ক্রিশ্চিয়ানের। সেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকেই এই অদ্ভুত ভাবনার জন্ম। দীর্ঘ গবেষণার পর তিনি তৈরি করেছেন এই বিশেষ সাপ্লিমেন্ট। খবরটি ভাইরাল হয় গত বছরেই। তবে, সেই সাপ্লিমেন্টের নাম ক’জনই বা জানেন? আজ্ঞে হ্যাঁ, ‘ফার্ট পিলস’ এবার রেহাই দেবে আপনাকে। বাসে-ট্রেনে, অফিসে এখন আর চাপাচুপি করে বায়ুত্যাগ করতে হবে না। বরং নির্বিঘ্নে চালিয়ে যান আপনার বাতকর্ম।
উদ্ভাবকের দাবি, এই বড়ি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। এতে ব্যবহার করা হয়েছে সবজি-কয়লা (অ্যাক্টিভেটেড চারকোল), মৌরি, সামুদ্রিক শৈবাল এবং কোকো বিনের নির্যাস। কোনও রাসায়নিক এতে নেই। ফলে শরীরের জন্য এটি ক্ষতিকারক নয়। খাওয়ার পর এটি অন্ত্রের বায়ুর দুর্গন্ধ দূর করে তাকে মিষ্টি গন্ধে রূপান্তরিত করবে।
চকোলেট ছাড়াও গোলাপ বা ভায়োলেটের সুগন্ধি বড়িও মিলছে তাঁর ভাঁড়ারে। শুধু মানুষ নয়, পোষ্যদের জন্যও তিনি বিশেষ পাউডার বানিয়েছেন। বিদেশে উৎসবের মরশুমে এই বড়ি এখন হটকেকের মতো বিক্রি হচ্ছে। কেউ কিনছেন সমস্যার সমাধানে। কেউ আবার মজার উপহার হিসেবে বন্ধুদের দিচ্ছেন। তবে কারণ যাই হোক, ফরাসি বৃদ্ধের এই চকোলেট-বড়ি যে আমজনতার দীর্ঘদিনের এক ‘গোপন’ অস্বস্তি দূর করার রসদ জোগাচ্ছে, তা নিয়ে সন্দেহের কোনও অবকাশ নেই!
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক
-
নতুন ফোন কেনার প্ল্যান? জুলাইয়ে ফ্লিপকার্টে চলবে সেল, কবে থেকে শুরু?
-
নার্স মৃত্যুর তদন্তে গড়িমসি! ‘যেন থানায় না যেতে হয়’, পুলিশকে ‘ধমক’ মন্ত্রী অশোকের
-
তিরুমালা মন্দিরে পুজো দিয়ে চুল উৎসর্গ অনন্ত আম্বানির, মন্দিরকে ২৫টি ইলেকট্রিক বাস দানের প্রতিশ্রুতি
-
অস্ত্র ছেড়ে সস্ত্রীক ঘরে আসুক, ১৪ বছর পর মাওবাদী ছেলেদের কাছে আর্জি দুই পরিবারের