সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বসন্ত মানেই দোল। আর দোল মানেই রঙের বাহার। রঙের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকে গোটা দেশ, এমনকী বিদেশের নানা প্রান্তও। কিন্তু জানেন কি, এদেশেই এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে হোলির সেলিব্রেশনই হয় না! শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। অবশ্য এর নেপথ্যে আছে বেশ কিছু কারণ। ঠিক কোথায় কোথায় দোল উৎসব পালিত হয় না? আসুন জেনে নিই।

উত্তরপ্রদেশের রুদ্রপ্রয়াগের কুইলি এবং কুরঝন নামে দুটি গ্রাম। এখানে দীর্ঘ ১৫০ বছর ধরে নিঃশব্দেই কাটে হোলি। এর নেপথ্যে রয়েছে প্রচলিত এক জনশ্রুতি। গ্রামের বাসিন্দারা মনে করেন, তাঁদের আরাধ্য দেবী ত্রিপুরা সুন্দরী শান্ত পরিবেশ পছন্দ করতেন। কিন্তু রং খেলার সময় হইহুল্লোড় হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই দেবীকে তুষ্ট করতে এখানকার মানুষ রং খেলেন না। একইভাবে দোল পালিত হয় না ঝাড়খণ্ডের বোকারোর দুর্গাপুর গ্রামেও। সেখানের কারণটা অবশ্য ভিন্ন। কথিত আছে, এই গ্রামে এক বছর দোলের দিনেই রাজার একমাত্র সন্তান মারা গিয়েছিলেন। কাকতালীয় ভাবে পরের বছর দোলের দিন মারা যান সেই রাজাও। আর সেই থেকেই গ্রামে রং খেলা বন্ধ।
আবার দক্ষিণ ভারতেও দোল না খেলার রীতি প্রচলিত আছে। যেমন তামিলনাড়ুতে। তাঁরা এদিন পূর্বপুরুষের আত্মার শান্তিতে বিশেষ পুজোর ব্যবস্থা করেন। দিন শুরু করেন নদীতে স্নান করে। একইভাবে গায়ে রং লাগান না গুজরাটের রমসন গ্রামের বাসিন্দারা। শোনা যায়, সাধু সন্তরা আসা যাওয়া করতেন এই গ্রামে। এমনই এক সাধুর অভিশাপে এই গ্রামে হোলি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ২০০ বছর ধরে সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলছে।
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের