rajasthan couple

দীর্ঘ ৭০ বছর লিভ-ইনের পর বিয়ের সিদ্ধান্ত রাজস্থানী দম্পতির! নেটদুনিয়ায় ভাইরাল তাঁদের প্রেমকথা

এমন সম্পর্কে থাকা স্ত্রীয়েরা সন্তানের বিবাহ অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পারবে না। গায়ে হলুদ ছোঁয়াতেও পারবে না। এমনকী বিয়ের আসরে বরকে বরণ করতেও পারবে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ২০:১১

options
link
দীর্ঘ ৭০ বছর লিভ-ইনের পর বিয়ের সিদ্ধান্ত রাজস্থানী দম্পতির! নেটদুনিয়ায় ভাইরাল তাঁদের প্রেমকথা
আট সন্তানের জনক-জননী তাঁরা। রয়েছে অনেকজন নাতি নাতনিও।

একই মানুষের সঙ্গে কি সারা জীবন থাকা যায়? স্রেফ এই ভয় থেকেই বহু দম্পতি বিয়ের দিকে পা বাড়ায় না! অনেকেই আবার মনে করে, সারা জীবন এক ছাদের তলায় থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, অপরদিকের মানুষটি আদৌ সঙ্গে থাকার যোগ্য কি-না, তা বাজিয়ে দেখা উচিত। কিন্তু সুযোগ হয় কি সবক্ষেত্রে? যারা অত্যন্ত আধুনিক মনস্ক, সমাজের চোখরাঙানির তোয়াক্কা করে না, তারা পা বাড়ায় ‘লিভ-ইন’ রিলেশনশিপের দিকে। কখনও তাতে দুই পক্ষই পাস মার্কস পায়, সম্পর্ক গড়ায় বিয়ে পর্যন্ত। কখনও আবার এক বা দুই পক্ষই ফেল করে। কোনও মতেই চার দেওয়ালের ভিতর থাকা যায় না দুটিতে, এই মর্মে আলাদা হয়ে যায় দুজন মানুষ।

Advertisement

কিন্তু বছর খানেক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় এমন এক দম্পতির (rajasthan couple) গল্প, যারা একসঙ্গে রয়েছেন ৭০ বছর! ‘লিভ-ইন’-ই বলা চলে। অথচ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হননি কখনওই! চক্ষু চড়কগাছ হতে বাধ্য, কি বলেন? গোড়া থেকে বলা যাক তবে। রাজস্থানের দুনগড়পুর জেলার এক আদিবাসী গোষ্ঠীর সদস্য তাঁরা। রমাভাই খারারির বয়স ৯৫, জিওয়ালি দেবীর বয়স ৯০। কিন্তু হঠাৎ এমন অতিসাধারণ দুই মানুষ বিয়ের বদলে লিভ-ইন বেছে নিলেন কেন?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

rajasthan couple married after live-in relationship for 70 years

Advertisement

গল্পের এই জায়গায় রয়েছে ছোট্ট এক টুয়িস্ট! জেনে নিতে হবে ওই বিশেষ আদিবাসী গোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে প্রচলিত এক আচারের কথা, যার নাম ‘নাতা’। ‘রিশতে নাতে’ তো বলা হয় হিন্দিতেও। অর্থাৎ এই সম্পর্কের মূল কথাই হল সম্পর্কের বাঁধনে অন্যজনকে আবদ্ধ করা। বিয়ের মতো নিয়ম মেনে সাত পাক ঘোরা সেখানে অর্থহীন। এই নিয়ম মেনে রাজস্থানি পুরুষ ও মহিলারা সঙ্গী বেছে নেয়। এমন সম্পর্কের ফলে যে সন্তানদের জন্ম হয়, তারা বাবার সম্পত্তির সবটুকুই পাবে।

তবে রয়েছে কিছু সীমাবদ্ধতাও। এমন সম্পর্কে থাকা স্ত্রীয়েরা সন্তানের বিবাহ অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পারবে না। গায়ে হলুদ ছোঁয়াতেও পারবে না। এমনকী বরকে বরণও করতে পারবে না। তাই জীবনের শেষ প্রান্তে গিয়ে হঠাৎই রমাভাই ও জিওয়ালি দেবী স্থির করেন, তাঁরা বিয়ে করবেন! প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আট সন্তানের জনক-জননী তাঁরা। রয়েছে অনেকজন নাতি নাতনিও। দুই প্রৌঢ়ের বিয়েতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়, ছিলও না। তাঁদের পরিবারের সদস্যরা রীতিমতো হইহল্লা করে সামিল হয় এই বিবাহ অনুষ্ঠানে। আর সে ছবিই ছড়িয়ে পরে নেটদুনিয়ায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন