Taj Mahal

তাজমহলকে টেক্কা সাদা মার্বেলের মন্দিরের! জৌলুস হারাচ্ছে সপ্তম আশ্চর্য?

১৯০৪ সালে শুরু হয় মন্দির নির্মাণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২৪, ২১:৩৮

options
link
তাজমহলকে টেক্কা সাদা মার্বেলের মন্দিরের! জৌলুস হারাচ্ছে সপ্তম আশ্চর্য?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি হল তাজমহল। চিন মানেই যেমন ‘গ্রেট ওয়াল অফ চায়না’, ফ্রান্স মানেই যেমন আইফেল টাওযার, ভারত মানে তেমনই তাজমহল। পৃথিবী বিখ্যাত সাদা মার্বেল পাথরের ‘স্মৃতিসৌধ’ দেখতে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পর্যটক আগ্রা শহরে ভিড় জমান। সেই শহরেই এবার প্রতিযোগিতার মুখে সম্রাট শাহজাহানের তৈরি সৌধ। ব্যাপারটা কী?

Advertisement

তাজমহল ভার্সেস রাধাসোয়ামি সৎসঙ্গ মন্দির, অনেকেই এভাবে লড়িয়ে দিচ্ছে আগ্রা শহরের দুই সাদা মার্বেল পাথরের ইমারতকে। আদৌ তাজমহলের সঙ্গে তার তুলনা চলে? জানা গিয়েছে, ১৯০৪ সালে এই মন্দিরর নির্মাণ শুরু হয়েছিল। অর্থাৎ গত ১০৪ বছর ধরে তৈরি হয়েছে রাধাসোয়ামি সৎসঙ্গ মন্দির। প্রতিষ্ঠাতা সোমি শিবদয়াল সিং। আগ্রা শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে দয়ালবাগের শান্তিপূর্ণ পরিবেশে রয়েছে মন্দিরটি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Taj Mahal Gets competition as new white marble Temple opens in Agra

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘না পোষালে পাকিস্তান চলে যান’, সংরক্ষণ ইস্যুতে লালুকে নিদান হিমন্তের]

রাধাসোয়ামি সৎসঙ্গ মন্দিরের মূল কাঠামোর আয়তন একশো বর্গফুটের বেশি। গোটা মন্দিরের নকশায় জৈন, মুসলিম, হিন্দু এবং খ্রীস্টান স্থাপত্য একত্রিত হয়েছে। এক শতাব্দী আগে নির্মাণ শুরু হওয়া এই মার্বেল কাঠামোর মন্দিরের যাঁরা কারিগর ছিলেন বংশপরম্পরায় সেই পরিবারের লোকেরাই আজও কাজ করছেন। সব মিলিয়ে আগ্রা শহরের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠছে রাধাসোয়ামি সৎসঙ্গ মন্দির। যেখানে প্রতিদিন পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে।

 

[আরও পড়ুন: ‘মেরে পাস মোদি হ্যায়’, পাকিস্তানের ‘পরমাণু বোমা’কে কাঁচকলা দেখিয়ে বার্তা শাহের]

পর্যটকদের একটা বড় অংশের বক্তব্য, মন্দিরটি সুন্দর দেখতে হলেও তাজমহলের সঙ্গে কোনওভাবেই তুলনা চলে না। এমনিতে বিশ্বজুড়েই তাজমহলের নানা প্রতিরূপ ছড়িয়ে রয়েছে। যার অন্যতম মহারাষ্ট্রের অওরঙ্গাবাদ শহরের ‘বিবি কা মাকবারা’। বেগম রাবিয়া-উদ-দৌরানির মৃত্যুর পর তাজমহলের নকশা অবলম্বনে একটি সমাধিসৌধ গড়ার নির্দেশ দেন শাহজাহান-পুত্র ঔরঙ্গজেব। সৌধটি সম্পূর্ণ করেন সম্রাটপুত্র আজম খান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন