যমজ সন্তানের মা চুয়াত্তরের ‘তরুণী’! কীভাবে সম্ভব? তাজ্জব নেটপাড়া
সত্যিই সত্তরোর্ধ্ব কোনও মহিলা মা হতে পারেন, চলছে জোর আলোচনা।
ইরামাত্তি মানগায়াম্মা এবং রাজা রাও নামে ওই দম্পতি অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা। ইরামাত্তি জানান, একসময় মা হওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন। তবে ৫৫ বছর বয়সি এক প্রতিবেশীকে মা হতে দেখার পর আশার আলো দেখেন। স্বামীর কাছে মা হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। প্রথমে বয়সের কথা ভেবে রাজি হতে চাননি তাঁর স্বামী। পরে যদিও স্ত্রীর মুখ চেয়ে রাজি হয়ে যান। আইভিএফ পদ্ধতিতে বাবা-মা হওয়ার চেষ্টা করেন।
আরও পড়ুন:
গত ২০১৮ সালে গুন্টুরের এক চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শুরু হয় আইভিএফ পদ্ধতিতে সন্তানধারণের পালা। নানারকম পরীক্ষা নিরীক্ষার পর ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে অন্তঃসত্ত্বা হন বৃদ্ধা। বয়সের কথা মাথায় রেখে ঝুঁকি নিতে চাননি চিকিৎসকরা। গর্ভাবস্থায় যেকোনও রকম ঝুঁকি এড়াতে হাসপাতালেই রাখা হয় তাঁকে। দিনভর একাধিক চিকিৎসক তাঁকে পর্যবেক্ষণ করেন।
গত ২০১৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বেসরকারি হাসপাতালে সি সেকশন হয় তাঁর দু'টি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। চিকিৎসক উমা শংকর বলেন, "আইভিএফ পদ্ধতিতে মা হতে চান বলে গত বছর আবেদন করেন ওই মহিলা। একজন দাতার ডিম্বাণু এবং স্বামীর বীর্যের মিলনে অন্তঃসত্ত্বা হন মহিলা। দু'টি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। মা এবং দুই নবজাতক সম্পূর্ণ সুস্থ।" তবে সন্তানদের স্তন্যপান করাতে পারেননি চুয়াত্তরের 'তরুণী'।
আরও পড়ুন:
নেটিজেনদের একাংশ অবশ্য চুয়াত্তরে আইভিএফ পদ্ধতিতে মা হওয়ার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সত্যিই কী সত্তরোর্ধ্ব কোনও মহিলা মা হতে পারেন, সন্দেহ প্রকাশ করেন। সকলেরই সন্তান জন্ম দেওয়ার আগে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা উচিত। নইলে তাদের করুণ অবস্থা হবে। তাই দয়া করে স্বার্থপরের মতো সন্তানসুখ পাওয়ার চেষ্টা করবেন না বলেই পরামর্শ নেটিজেনদের।