বিচ্ছেদের পর চর্চায় ‘উভকামী’ আকাঙ্ক্ষা, এবার কার শয্যাসঙ্গিনী হতে চান? মুখ খুললেন অভিনেত্রী
‘কারও শয্যাসঙ্গিনী হব না ‘, বিচ্ছেদের পর ‘উভকামী’ আকাঙ্ক্ষার যৌন চাহিদা ‘জিরো’।
আকাঙ্ক্ষার উভকামী তথ্য সামনে আসতেই তোলপাড় বিনোদন জগৎ। এখানেই শেষ নয়, গৌরবের সঙ্গে বিচ্ছেদ কারণ খোলসা করতে গিয়ে সামনে আসে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। মা হওয়ায় অনীহা বলেই এক দশকের দাম্পত্যে ইতি। বিচ্ছেদের পর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে 'লক আপ: সচ ইয়া সাজা'-তে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। নিজের বর্তমান মানসিক অবস্থা সম্পর্কে কী জানালেন আকাঙ্ক্ষা?
আরও পড়ুন:
এই মুহূর্তে আকাঙ্ক্ষার মধ্যে কোনও যৌন উত্তেজনা বা শারীরিক চাহিদা নেই। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তিনি কারও শয্যাসঙ্গী হতে চান না। জীবনের এই পর্যায়ে নিজেকে সম্পূর্ণ 'অ্যাসেক্সুয়াল' বলে অভিহিত করেছেন। অর্থাৎ যৌনতার প্রতি এখন চূড়ান্ত অনীহা। জেলের ভিতর কীভাবে এই প্রসঙ্গের উত্থাপন? সহ প্রতিযোগী বরুণ যাদবের সঙ্গে কথোপকথনের সময় আকাঙ্ক্ষা মনের কথা বলে দেন।
কী প্রশ্ন করেছিলেন বরুণ? তার আগে বলে রাখা ভালো, বরুণ তাঁর পরিচিতমহলে লায়লা নামেই পরিচিত। সম্পর্ক নিয়ে কথা বলার সময় আকাঙ্ক্ষাকে জিজ্ঞাসা করেন, ভবিষ্যতে আবার বিয়ের পরিকল্পনা রয়েছে? সঙ্গে সঙ্গে আকাঙ্ক্ষা বলেন, "আমার মনে এখন বিয়ের নামে একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।" এরপর বরুণের প্রশ্ন, "সময়ের সঙ্গে কজন মানুষের যৌন আকর্ষণের অনুভূতি বদলে যেতে পারে?" প্রত্যুত্তরে কী বললেন অভিনেত্রী?
নিজস্ব ভাবনা ভাগ করে বলেন, "মানুষের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের ওপর নির্ভর করে যৌন আকর্ষণ বদলাতে পারে। এই মুহূর্তে বিবাহবিচ্ছেদ মামলা চলছে। কারও সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়াতে চাই না। নারী-পুরুষ নির্বিশেষ কেউ না।" এমন অনুভূতির কারণ বাতলে বলেন, "আমি জীবনের যে পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি সেটাকে 'অ্যাসেক্সুয়াল' বলছি।"
আরও পড়ুন:
আরও একটু গভীরে গিয়ে বরুণ এবার জানতে চান, জীবনে সঙ্গী না থাকলে যৌন চাহিদাও শেষ হয়ে যায়? নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আকাঙ্ক্ষা বলেন, "আমি বলতে চাইছি বর্তমান সময় ও পরিস্থিতিতে আমার কোনও যৌনতা অনুভব হচ্ছে না। কোনও ধরনের শারীরিক সম্পর্কের প্রতি আকর্ষণ আসছে না।" আকাঙ্ক্ষার ব্যক্তিগতজীবন এখন যেন খোলা বইয়ের পাতা! তা বললে অত্যুক্তি হবে না।