পার্থদার প্রেমিকা হতে কী যোগ্যতা দরকার? সম্পর্ক-দুর্নীতি-গ্রেপ্তারি নিয়ে বোমা ফাটালেন অর্পিতা
গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল, পার্থ ও অর্পিতা সন্তান দত্তক নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।
সম্প্রতি একটি পডকাস্ট চ্যানেলে খোলামেলা আড্ডা দেন অর্পিতা। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে উঠে আসে পার্থ চট্টোপাধ্যায় প্রসঙ্গ। সেখানে প্রেমের সম্পর্ক ছিল না বলেই দাবি করলেন মডেল-অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, "ভালো মানুষের সান্নিধ্য পেলে সকলেই তাঁর থেকে পরামর্শ নেন। আমিও বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ নিয়েছি। উনি আমার কাছে অভিভাবক ছিলেন। এর বেশি কিছু নয়। আমি কখনই পার্থদার গার্লফ্রেন্ড ছিলাম না। গোটা বিষয়টাকে অতির়ঞ্জিত করা হয়েছে।"
আরও পড়ুন:
এখানেই শেষ নয়। অর্পিতার দাবি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রেমিকা হতে যোগ্যতা লাগে। কী সেই যোগ্যতা? তা খোলসা করেননি তিনি। তবে অর্পিতার কথায়, "প্রেমের জন্য অনেকরকম বিষয় থাকে, সেখানে বয়স একটা ফ্যাক্টর। কারও পুজোয় গেলে, একটা অনুষ্ঠানে দেখা হলেই সেটা প্রেম হয়ে গেল! পার্থদা ইয়ং ছেলে হলে এত কুৎসা কিন্তু হত না। মানুষের এত সমস্যাও থাকত না।"
জামিনে মুক্তির পর অর্পিতা প্রসঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন, "লোকের দুটো বউ থাকতে পারে, আমার একটা বান্ধবী থাকতে পারে না?" নিন্দুকদের মতে, এভাবে সম্পর্কে সিলমোহর দিয়েছিলেন তিনি। অর্পিতার দাবি, এই বান্ধবীর অর্থ কোনওভাবেই প্রেমিকা নয়। অর্পিতা বলেন, "অভিভাবকরা কি বন্ধু নন? বাবা, কাকা, দাদারা কি বন্ধুর মতো মেশে না? পার্থদাকে আমি অ্যাডমায়ার করি।"
ঘর থেকে টাকা ও গয়না উদ্ধার প্রসঙ্গে যদিও সে অর্থে মুখ খোলেননি তিনি। তাঁর কিছু জানা ছিল না বলে দাবি করার পাশাপাশি অর্পিতা বলেন, বিষয়টা বিচারাধীন, কথা বলা ঠিক নয়। তবে প্রেপ্তার হওয়ায় অযথা তাঁকে টেনে নিচে নামানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেও দাবি অর্পিতার। গ্রেপ্তারির পরের সময়টা যে কী কঠিন ছিল, এদিন সেই কথাও শোনা যায় অর্পিতার মুখে।
আরও পড়ুন:
তবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকলেও তৃণমূলের সঙ্গে কোনও যোগ ছিল না বলেই দাবি অর্পিতার। তিনি বলেন, "২০১৮-২০১৯ সালে নাকতলা উদয়ন সংঘের পুজোর মুখ হওয়ার অফার আসে। ২০১৯ -২০২০ সালে কাজ করি। সেই অনুষ্ঠানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পরিচয় হয়। কিন্তু আমি কোনওদিন তৃণমূল করিনি। কেউ বলতে পারবে না দলের মঞ্চে আমাকে দেখা গিয়েছে।"