সায়ক, দেবলীনা থেকে গৌরব! সাফল্যের শীর্ষে উঠেই চরম বিতর্কে জড়িয়েছেন যে ক্রিয়েটররা
আরও পরিচিতি পাওয়ার ফন্দি নাকি স্রেফ ভাগ্যচক্রের খেলা?
দেবলীনা নন্দী। গায়িকার পাশাপাশি তিনি ডেলি ভ্লগার। অর্থাৎ দিনের খুঁটিনাটি বিষয় ভিডিও আকারে তা তুলে ধরেন সোশাল মিডিয়ায়। তাঁর অনুষ্ঠানে যেমন ভিড় উপচে পড়ে তেমনই হাসিমুখের ভিডিও দেখার জন্য বহু মানুষ অপেক্ষা করতেন। চলতি বছরের শুরুতে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন দেবলীনা। একদিন রাতে হঠাৎই একটি ভিডিও পোস্ট করে ব্যক্তিগত জীবনের 'ঝড়ে'র কথা ইঙ্গিতে প্রকাশ করেন। এর কিছুক্ষণ পরই জানা যায়, ৭২ টি ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার...
আরও পড়ুন:
এরপর শুরু হয় দেবলীনার আইনি লড়াই। এদিকে সোশাল মিডিয়ায় দেবলীনা ও তাঁর স্বামীকে নিয়ে চলতে থাকে বিস্তর কাঁটাছেড়া। প্রবাহর বিরুদ্ধে মারধর, খুনের চেষ্টার মতো বিস্ফোরক অভিযোগও করেন গায়িকা। স্বামীর পাসপোর্ট বাতিলের দাবিও জানান। প্রথমদিকে গোটা বিষয়ে একটি শব্দ খরচ করেননি প্রবাহ। তবে গত সপ্তাহে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন। বরং দেবলীনার মায়ের অতিরিক্ত নাকগলানোর কারণেই তাঁদের দাম্পত্যজীবন নষ্ট হয়েছে।
সোশাল মিডিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা-ইনফ্লুয়েন্সর সায়ক চক্রবর্তী। ডেলি ভ্লগিং করেন তিনি। সারাদিন কী করছেন, কী খাচ্ছেন, পরিবারের সঙ্গে মজা-খুনসুটির মুহূর্ত তুলে ধরেন বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। গত ফেব্রুয়ারিতে তাঁর একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে কলকাতা। আসলে বন্ধুদের নিয়ে 'অলি পাব'-এ খেতে গিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, তাঁকে মটন স্টেকের বদলে বিফ দেওয়া হয়। বিষয়টা জানতে পেরেই ক্ষেপে যান সায়ক। বেয়ারার ধর্ম পরিচয় উল্লেখ করে হুঁশিয়ারি দেন। গোটা...
সায়কের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই বেয়ারা গ্রেপ্তারও হন। তাতেই বিতর্কের আগুনে ঘি পড়ে। কার্যত গোটা কলকাতা সায়কের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে। তাঁর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এক নাট্যব্যক্তিত্ব তথা পরিচালক। পরবর্তীতে বেয়ারার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করে নেন সায়ক। জামিনে মুক্ত হন ওই বেয়ারা। এদিকে ক্ষমাও চেয়েছিলেন সায়ক। তাতেও বিশেষ লাভ হয়নি। দীর্ঘদিন সোশাল মিডিয়া থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন সায়ক।
আরও পড়ুন:
ক্রিয়েটর হিসেবে বেশ জনপ্রিয় 'ননসেন' শমীক অধিকারী। ভিডিওতে সমাজের বিভিন্ন ইস্যু তুলে ধরেন তিনি। গত ফেব্রুয়ারিতে যৌন কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় তাঁর। বেহালা থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। এরপরই শমীকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রুজু করার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় শমীককে। যদিও এই গ্রেপ্তারির নেপথ্যে রাজনৈতিক অভিসন্ধি ছিল বলেও দাবি করেছিল একাংশ। কারণ, এই ঘটনার আগেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে একটি ভিডিও করেছিলেন ওই যুবক।
সম্প্রতি চর্চায় 'প্রেতকথা' খ্যাত গৌরব তপাদার। দিন কয়েক আগে তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা একটি পোস্ট করেন। সেখানে তাঁকেই কটাক্ষ করা হয়েছে বলে পালটা গৌরবেব পাঠানো ব্যক্তিগত অডিও ও চ্যাট পোস্ট করেন প্রাক্তন অন্তরা দে। পালটা গৌরব দাবি করেন খারাপ মানের মদের জেরে মেসেজ পাঠিয়ে ফেলেছিলেন। আক্রমণ-পালটা আক্রমণকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে ওঠে নেটপাড়া। কেউ গৌরবের স্বপক্ষে সুর তোলেন, কেউ অন্তরার হয়ে।