রণবীরের ‘রামায়ণ’-এ বিদ্যুৎজিহ্বার ভূমিকায় বিবেক, রাবণের সঙ্গে লড়াই করা চরিত্রটি চেনেন?
রাজকুমারের চরিত্রটি মহাকাব্যের খুব পরিচিত চরিত্র নয়। তাই প্রশ্ন উঠছে, কে এই বিদ্যুৎজিহ্বা?
'বিদ্যুৎজিহ্বা'র অর্থ হল যার জিহ্বা বিদ্যুতের মতো। যা থেকে পরিষ্কার চরিত্রটি ছিল সুবক্তা। শূর্পণখা-বিদ্যুৎজিহ্বার এক পুত্রও ছিল। নাম শম্ভু। আপাত ভাবে ততটা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে না হলেও মহাকাব্যে কোনও চরিত্রই উপেক্ষিত নয়। বিদ্যুৎজিহ্বা রাবণের সঙ্গে বেশ কয়েকটি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়া, দেবতাদের রাজা ইন্দ্রকে পরাস্ত করার ক্ষেত্রেও তিনি রাবণকে সহায়তা করেছিলেন।
আরও পড়ুন:
এখানেই শেষ নয়। আরেক কাহিনিতে বলা হয়েছে স্বর্গ থেকে ফেরার পথে কালকেয়দের সঙ্গে সংঘাত বাঁধে রাবণের। বিদ্যুৎজিহ্বা ছিলেন কালকেয় বংশীয়। ক্ষুব্ধ হয়ে রাবণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন তিনি। শেষ পর্যন্ত রাবণের হাতে তাঁর মৃত্যু হয়। শোকাতুর শূর্পণখাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য রাবণ নাকি তাঁকে অন্য কাউকে বিয়ে করার অনুমতি দেন। এমনকী, কাউকে জোর করে সম্ভব হলেও। এরপরই লক্ষ্মণের কাছে প্রণয়ের প্রস্তাব!
সত্যিই বিদ্যুৎজিহ্বা খুব পরিচিত চরিত্র নয়। তবু রুপোলি পর্দার 'রামায়ণ'-এ তাঁকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যা থেকে পরিষ্কার, এই ধরনের কম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলিকে উপস্থিত করে কাহিনিকে নতুন মাত্রা হয়তো দিতে চাইছেন পরিচালক। যদিও বিদ্যুৎজিহ্বার ভূমিকা সামান্য হলেও শূর্পণখার পরিণতির নেপথ্যে তিনিও রয়েছেন। এখন দেখার, চিত্রনাট্যে কতটা জায়গা দেওয়া হয় চরিত্রটিকে।
আরও পড়ুন:
দুটি ভাগে মুক্তি পাবে নীতেশ তিওয়ারির 'রামায়ণ'। ট্রেলার প্রশংসিত হলেও উঠছে নানা প্রশ্ন। তবে শেষপর্যন্ত মহাকাব্যের এই নবনির্মাণ দর্শকদের কতটা মুগ্ধ করবে তা সময়ই বলবে। ব্রহ্মমুহূর্তে ঘড়ির কাঁটায় ভোর ৪ টে বেজে ১৫ মিনিটে মুক্তি পেয়েছিল ট্রেলার। জানা যাচ্ছে, জ্যোতিষ মতে, ব্রহ্মমুহূর্তকে অত্যন্ত পবিত্র মনে করা হয়... একথা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত। আপাতত সেই ট্রেলার নিয়ে চর্চা। অন্যদের সঙ্গে চর্চায় বিবেক অভিনীত বিদ্যুৎজিহ্বাও।