Religion

সংসারের কামনা-বাসনা কাটিয়ে ঈশ্বরের সঙ্গে একাত্ম অনুভব করছেন? বুঝবেন এই লক্ষণেই

পরমাত্মার কাছে অনন্ত যাত্রাই এই মনুষ্যজীবনের উদ্দেশ্য। এমনটাই বলছে শাস্ত্র। জীবাত্মার এই গমন বহু হিন্দু শাস্ত্রের মুখ্য বিষয়। সংসারের নাগপাশে আটকে থাকা বদ্ধজীব হয়ে মানুষের যে জীবন কাটে, সেখানে ঈশ্বর আরাধনা মুক্তির দিশা দেখায়। মানসিক প্রশান্তি লাভের জন্য আমরা ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস রাখি। আর এই বিশ্বাস থেকে একসময় তৈরি হয় ‘স্পিরিচুয়াল অ্যাওয়েকেনিং’।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৮:২৩

options
link
সংসারের কামনা-বাসনা কাটিয়ে ঈশ্বরের সঙ্গে একাত্ম অনুভব করছেন? বুঝবেন এই লক্ষণেই
আধ্যাত্মিক শক্তির জাগরণ ঘটতে পারে যেকোনও মুহূর্তে। কিন্তু, কীভাবে তা বুঝবেন? ছবি: সংগৃহীত

পরমাত্মার কাছে অনন্ত যাত্রাই এই মনুষ্যজীবনের উদ্দেশ্য। এমনটাই বলছে শাস্ত্র। জীবাত্মার এই গমন বহু হিন্দু শাস্ত্রের মুখ্য বিষয়। সংসারের নাগপাশে আটকে থাকা বদ্ধজীব হয়ে মানুষের যে জীবন কাটে, সেখানে ঈশ্বর আরাধনা মুক্তির দিশা দেখায়। মানসিক প্রশান্তি লাভের জন্য আমরা ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস রাখি। আর এই বিশ্বাস থেকে একসময় তৈরি হয় ‘স্পিরিচুয়াল অ্যাওয়েকেনিং’। হ্যাঁ, নিজের মধ্যে আধ্যাত্মিক শক্তির জাগরণ ঘটতে পারে যেকোনও মুহূর্তে। কিন্তু, কীভাবে তা বুঝবেন? কোন লক্ষণ চিনে বুঝবেন যে আপনার মধ্যে আধ্যাত্মিক জাগরণ ঘটতে শুরু করেছে?

Advertisement

ধর্মগুরুদের মতে, এই জাগরণের প্রাথমিক লক্ষণ হল একাকিত্বকে ভালোবাসা। সাধারণত মানুষ একা থাকতে ভয় পায়। অন্যের উপর বেশি নির্ভরশীল হয়। কিন্তু আধ্যাত্মিক জাগরণে নারী নির্জনতাকে পরম বন্ধু মনে করেন। একা বসে খাবার খাওয়া, বই পড়া বা উদ্দেশ্যহীন ভাবে একা ঘুরে বেড়ানোর মধ্যেই তিনি খুঁজে পান আত্মিক প্রশান্তি। অনুভব করেন এক মহাজাগতিক শক্তির উপস্থিতি। নিজের এই অবস্থাকে ‘মি টাইম’ হিসেবে দেখছেন কি?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দ্বিতীয়ত, মহাজাগতিক শক্তির সঙ্গে গভীর সংযোগ। এই নারীরা কেবল মন্দিরে বা উপাসনাগৃহেই ঈশ্বরের অস্তিত্ব অনুভব করেন না। বরং নিজের মধ্যে পরমাত্মার যোগ আবিষ্কার করেন। একই দেহে পরমাত্মা ও জীবাত্মার ভাব জেগে ওঠে। ঘোর বিপদে পড়লে বা নির্জন রাস্তায় হাঁটলেও তাঁরা যেন অনুভব করেন কোনও এক দৈব শক্তি তাঁদের হাত ধরে আছে। যেকোনও বিপদে, যেকোনও সমস্যায় এক অদ্ভুত শক্তি কাজ করে। এমনকী বিপদে হঠাৎ সাহায্য পাওয়ার মতো ঘটনা কোনও অলৌকিকতা নয়, বরং এক পরম সংযোগ।

Advertisement

তৃতীয়ত, মানুষের চারিত্রিক কম্পন বা ভাইব্রেশন বোঝার অদ্ভুত ক্ষমতা। আধ্যাত্মিকভাবে উন্নত নারী কয়েক মিনিট কথা বললেই বুঝতে পারেন সামনের মানুষটি তাঁর জন্য শুভ না অশুভ। নেতিবাচক মানুষ তাঁর মনে উদ্বেগ তৈরি করে, আর ইতিবাচক মানুষ নিমেষে কমিয়ে দেয় মনের অস্থিরতা। শুভ ও অশুভ শক্তির উপস্থিতি খুব সহজেই টের পান এই প্রকৃতির নারীরা।

চতুর্থত, এঁদের মধ্যে এক প্রবল দৈব তেজ বিরাজ করে। তাঁরা শান্ত ও নম্র হলেও তাঁদের শক্তির পরীক্ষা নেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। তাঁরা অন্যের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন না, কিন্তু কেউ তাঁর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে এক অলৌকিক দৃঢ়তায় তা অতিক্রম করতে সক্ষম হন। মনে করা হয়, আধ্যাত্মিক ভাবে সজাগ নারীরা মায়ের মতো লালনপালনকারী হলেও, প্রয়োজনে তাঁরা ধ্বংসাত্মক রূপও নিতে পারেন। যেকোনও অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলার ক্ষমতা রয়েছে তাঁদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.