Sheetala Ashtami 2026

মা শীতলার পুজোয় কোন ভোগে তুষ্ট দেবী? রোগমুক্তির পথ খুঁজতে জানুন পুজোর বিশেষ নিয়ম

ঋতু পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে যখন রুক্ষ প্রকৃতিতে রোগব্যাধির প্রকোপ বাড়ে, তখনই পরম শান্তিদায়িনী রূপে আবির্ভূত হন মা শীতলা। তিনি মূলত আরোগ্য ও শুদ্ধি বা পরিচ্ছন্নতার দৈব প্রতীক। স্কন্দপুরাণ মতে, আদিশক্তি পার্বতীর এই কল্যাণময়ী রূপটি আমাদের কেবল মহামারী থেকেই রক্ষা করে না, বরং কলস ও নিমপাতার আধারে অশুভ বিনাশ করে জীবনে বয়ে আনে শীতলতা ও অনাবিল প্রশান্তি। উদয়া তিথি মেনে আগামী ১১ মার্চ, বুধবার পালিত হবে শীতলা অষ্টমী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ২০:০৮

options
link
মা শীতলার পুজোয় কোন ভোগে তুষ্ট দেবী? রোগমুক্তির পথ খুঁজতে জানুন পুজোর বিশেষ নিয়ম
উদয়া তিথি মেনে আগামী ১১ মার্চ, বুধবার পালিত হবে শীতলা অষ্টমী। ছবি: সংগৃহীত

ঋতু পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে যখন রুক্ষ প্রকৃতিতে রোগব্যাধির প্রকোপ বাড়ে, তখনই পরম শান্তিদায়িনী রূপে আবির্ভূত হন মা শীতলা। তিনি মূলত আরোগ্য ও শুদ্ধি বা পরিচ্ছন্নতার দৈব প্রতীক। স্কন্দপুরাণ মতে, আদিশক্তি পার্বতীর এই কল্যাণময়ী রূপটি আমাদের কেবল মহামারী থেকেই রক্ষা করে না, বরং কলস ও নিমপাতার আধারে অশুভ বিনাশ করে জীবনে বয়ে আনে শীতলতা ও অনাবিল প্রশান্তি। উদয়া তিথি মেনে আগামী ১১ মার্চ, বুধবার পালিত হবে শীতলা অষ্টমী।

Advertisement

কীভাবে ভোগ নিবেদন করবেন?
মা শীতলার পুজোর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল বাসি খাবার নিবেদন। শাস্ত্রমতে, দেবী শীতলতা পছন্দ করেন, তাই তাঁকে গরম খাবার উৎসর্গ করা নিষিদ্ধ। পুজোর ঠিক আগের রাতে অত্যন্ত শুদ্ধাচারে সাত্ত্বিক নিরামিষ পদ রান্না করে রাখা হয়। পরের দিন সকালে সেই বাসি খাবারই দেবীকে ভোগ হিসেবে দেওয়া হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এর মাধ্যমেই দেবীর আশীর্বাদ লাভ করা সম্ভব।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

শীতলা পুজোর নিয়ম কী?
শীতলা পুজোর আচার-অনুষ্ঠান অন্যান্য পুজোর চেয়ে কিছুটা আলাদা। এই বিশেষ দিনে কয়েকটি নিয়ম পালন করা বাধ্যতামূলক।
১) পুজোর সময় প্রদীপ বা ধূপ জ্বালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অর্থাৎ, পুজোর কাজে আগুনের ব্যবহার করা যায় না।

Advertisement

২) শীতলা অষ্টমীর দিন নিমগাছে জল অর্পণ করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।

৩) সন্তানের মঙ্গল কামনায় নিমগাছকে কেন্দ্র করে সাতবার প্রদক্ষিণ করার বিধান রয়েছে।

৪) দেবীর চরণে সাদা বা হলুদ রঙের ফুলের মালা দেওয়া প্রশস্ত।

৫) এই দিনে ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং শান্ত থাকা জরুরি।

পুরান মতে, মা শীতলার কৃপায় যেমন রোগজ্বালা সারে, তেমনই অপার্থিব শান্তি বজায় থাকে সংসারে। বিশেষ করে শিশুদের পক্স বা এই জাতীয় সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে মায়েরা এই ব্রত পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.