Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Sheetala Ashtami 2026

এবছর কবে শীতলা অষ্টমী? জেনে নিন তিথি এবং পুজোর শুভ সময়

বসন্তের বিদায় আর গ্রীষ্মের আগমনে যখন প্রকৃতির রূপ বদলায়, ঠিক তখনই বাংলার ঘরে ঘরে পালিত হয় মা শীতলার আরাধনা। সনাতন ধর্মে রোগব্যাধি থেকে মুক্তি এবং পরিবারের মঙ্গল কামনায় শীতলা অষ্টমীর গুরুত্ব অপরিসীম। চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই অষ্টমী তিথিকে দেশজুড়ে ‘বাসোড়া’ নামেও ডাকা হয়। ২০২৬ সালে কবে পড়েছে এই পুণ্যতিথি? কী তার মাহাত্ম্য?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৬, ২১:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৬, ২১:৩৭

options
link
এবছর কবে শীতলা অষ্টমী? জেনে নিন তিথি এবং পুজোর শুভ সময় zoom
ছবি: সংগৃহীত

বসন্তের বিদায় আর গ্রীষ্মের আগমনে যখন প্রকৃতির রূপ বদলায়, ঠিক তখনই বাংলার ঘরে ঘরে পালিত হয় মা শীতলার আরাধনা। সনাতন ধর্মে রোগব্যাধি থেকে মুক্তি এবং পরিবারের মঙ্গল কামনায় শীতলা অষ্টমীর গুরুত্ব অপরিসীম। চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই অষ্টমী তিথিকে দেশজুড়ে ‘বাসোড়া’ নামেও ডাকা হয়। ২০২৬ সালে কবে পড়েছে এই পুণ্যতিথি? কী তার মাহাত্ম্য?

পঞ্জিকা অনুসারে, ২০২৬ সালে চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথি শুরু হচ্ছে ১১ মার্চ রাত ১টা ৫৪ মিনিটে। তিথিটি শেষ হবে ১২ মার্চ ভোর ৪টে ১৯ মিনিটে। উদয়া তিথি মেনে আগামী ১১ মার্চ, বুধবার পালিত হবে শীতলা অষ্টমী।

Advertisement

এই ব্রতের একটি বিশেষ দিক হল ‘বাসি’ খাবার নিবেদন। মনে করা হয়, দেবী শীতল ভোগ পছন্দ করেন। তাই এদিন উনুন জ্বালানোর নিয়ম নেই। আগের দিন রাতে তৈরি করা নানাবিধ পদ পরদিন সকালে দেবীকে ভোগ হিসেবে দেওয়া হয়। একেই চলতি ভাষায় ‘বাসোড়া’ বলা হয়। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী শীতলা তুষ্ট হলে বসন্ত বা হামের মতো চর্মরোগ থেকে মুক্তি মেলে। সেই সঙ্গে পরিবারে নেমে আসে অনাবিল শান্তি।

ছবি: সংগৃহীত

শুভ মুহূর্ত ও পুজোর নির্ঘণ্ট
২০২৬ সালের ১১ মার্চ পুজোর শুভ সময় শুরু হচ্ছে সকাল ৬টা ৩৬ মিনিটে। চলবে সন্ধ্যা ৬টা ২৭ মিনিট পর্যন্ত। ভক্তরা এই সময়ের মধ্যেই দেবীর চরণে অর্ঘ্য নিবেদন করতে পারবেন।

আরাধনার বিধি
শীতলা অষ্টমীর দিন ভোরে স্নান সেরে শুদ্ধ বস্ত্রে দেবীর ধ্যান করা কর্তব্য। প্রথমে সূর্য দেবতাকে অর্ঘ্য দান করে পুজোর সংকল্প নিতে হয়। এরপর পুজোর বেদিতে মা শীতলার প্রতিমা বা ছবি স্থাপন করে শুরু হয় মূল উপাচার। দেবীকে জল, চন্দন, অক্ষত আতপ চাল, হলুদ এবং ফুল অর্পণ করা হয়। এই পুজোর প্রধান অঙ্গ হল শীতল ভোগ বা বাসি প্রসাদ নিবেদন। ধূপ-দীপ জ্বালিয়ে ব্রতকথা পাঠ করার পর আরতির মাধ্যমে পুজো সম্পন্ন হয়।

আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের যুগেও এই ব্রতের প্রাসঙ্গিকতা ফুরিয়ে যায়নি। ঋতু পরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণে পরিচ্ছন্নতা এবং খাদ্যাভ্যাসে সংযম যে জরুরি, সেই বার্তাই বহন করে শীতলা অষ্টমীর এই প্রাচীন পরম্পরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.