সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্যালাড খাওয়া হয় না কিংবা শসা খান না এমন মানুষের সংখ্যা নিতান্তই কম। বাড়িতে শসা কেটে সেই খোসা নিশ্চয়ই ফেলে দেন। কিন্তু সেদিন শেষ। শসার খোসাকে আবর্জনা ফেলে দেওয়া সময় বোধহয় আর নেই। কারণ শসার খোসাকে (Cucumber Peels) কাজে লাগিয়ে খাবার প্যাকিংয়ের বাক্স তৈরি করে ফেলেছেন খড়গপুর আইআইটি’র বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের দাবি, শসার খোসায় প্রচুর পরিমাণে ন্যানোক্রিস্টাল থাকে। যা অতি সহজেই মাটিতে মিশে যায়। এছাড়াও শসার খোসা ভীষণভাবে সহজলভ্য। কারণ, প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে শসা খাওয়ার চল রয়েছে। তার ফলে তার খোসা জোগাড় করতেও বিশেষ বেগ পেতে হবে না। সে কারণেই শসার খোসাকে কাজে লাগিয়ে প্যাকেজিংয়ের বাক্স তৈরির কথা ভাবা হয়। যেমন ভাবা, তেমন কাজ। খড়গপুর আইআইটি’র অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর জয়িতা মিত্রের দাবি তাই নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শসার খোসা দিয়ে খাবার প্যাকেজিংয়ের বাক্স তৈরি করা হয়। গবেষণায় মিলেছে সাফল্যও।
[আরও পড়ুন: সুজাপুরের বিস্ফোরণস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহের সময় আগুন, রক্ষা ফরেনসিক টিমের]
প্লাস্টিক ব্যবহার যে পরিবেশের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর, তা বারবারই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। তবে তা সত্ত্বেও প্লাস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাশ টানা কার্যত অসম্ভব। কোনওমতেই যেন প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো সম্ভব হয় না। সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, গেরস্থালির পাশাপাশি খাবারের প্যাকেজিংয়ের বাক্স হিসাবে ভীষণভাবে প্লাস্টিক ব্যবহারের চল রয়েছে। যা সত্যিই স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। আর তার সঙ্গে ক্রমশই বাড়ছে পরিবেশ দূষণের গ্রাফও। শসার খোসাকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা বাক্সের চল বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমবে বলেই আশা করা যায়। তাই পরিবেশ দূষণ কিছুটা হলেও কমার কথা ভেবেই খুশি খড়গপুর আইআইটি’র বিশেষজ্ঞরা।
[আরও পড়ুন: ‘শুভেন্দু, সৌগত-সহ ৫ সাংসদ যে কোনও সময়ে বিজেপিতে আসবেন’, বিস্ফোরক দাবি অর্জুন সিংয়ের]
সর্বশেষ খবর
-
কঙ্কালের আঙুলে ব্রাহ্মী লিপি! থাইল্যান্ডে খোঁজ মিলল ২০০০ বছর প্রাচীন ভারতীয় আংটির
-
বিবাহিত মহিলার সঙ্গে প্রেম, ঘুমন্ত তাঁকেই নলি কেটে ‘খুন’, প্রমাণ লোপাটে দেহ টুকরো করলেন যুবক!
-
‘এখন মুখ বন্ধ রাখছি’, রাম মন্দিরে অনুদান চুরি নিয়ে চম্পতের খোলা চিঠিতে কীসের ইঙ্গিত?
-
তাজমহল আসলে ‘তেজো মহালয়’, উপাস্য ছিলেন শিব! কেন্দ্রের কাছে হলফনামা চাইল হাই কোর্ট
-
কৌতুকের মোড়কে পুলিশি ধরপাকড়! কেমন হল ‘প্রীতম অ্যান্ড পেদ্রো’?