Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Ram Temple

‘এখন মুখ বন্ধ রাখছি’, রাম মন্দিরে অনুদান চুরি নিয়ে চম্পতের খোলা চিঠিতে কীসের ইঙ্গিত?

আমার বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন, রাম ভক্তদের উদ্দেশে খোলা চিঠিতে লিখেছেন চম্পত রাই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ২০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ২০:১৩

options
link
‘এখন মুখ বন্ধ রাখছি’, রাম মন্দিরে অনুদান চুরি নিয়ে চম্পতের খোলা চিঠিতে কীসের ইঙ্গিত? zoom
অনুদান চুরির ঘটনায় চম্পতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
Advertisement

“আমার বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন। এখন মুখ বন্ধ রাখছি।” দীর্ঘ নিরাবতা ভেঙে রামভক্তদের উদ্দেশে খোলা চিঠিতে লিখলেন অযোধ্যার শ্রীরাম জন্মভূমি ট্রাস্টের পদত্যাগী সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই। তিনি আরও জানিয়েছেন, রাম মন্দিরের অনুদান চুরি নিয়ে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের চূড়ান্ত রিপোর্ট সামনে আসার পরেই এই বিষয়ে মুখ খুলবেন তিনি। প্রশ্ন উঠছে, তখন কি কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত রাঘববোয়ালদের নাম প্রকাশ্যে আনবেন তিনি?

হিন্দিতে লেখা চিঠিতে চম্পত রাই লিখেছেন, “২০২৬ সালের ৭ জুন থেকে শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দির চত্বরে দানবাক্স গণনার সময় সংঘটিত চুরির ঘটনা নিয়ে নানাবিধ আলোচনা ও গুজব চলছে। অনেকেই আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন। আপাতত আমি নীরব থাকার ব্রত নিয়েছি।” উল্লেখ্য,অযোধ্যার রাম মন্দির পরিচালনার দায়িত্ব মন্দির ট্রাস্টের। মন্দির নির্মাণের শুরু থেকেই যাবতীয় ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে চম্পত ছিলেন একেবারে সামনের সারিতে। কাজেই অনুদান চুরির ঘটনায় চম্পতের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ইতিমধ্যে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তাঁকে।

Advertisement

খোলা চিঠিতে চম্পত আরও বলেছেন, “৬ জুলাই টেম্পল ট্রাস্টের সভায় এসআইটি (বিশেষ তদন্তকারী দল)-র প্রাথমিক প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছিল। এই প্রতিবেদনটি এখন জনসমক্ষে এসেছে। আমি আপনাদের সকলকে আশ্বস্ত করছি যে, এসআইটি-র চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর আমি সমস্ত বিষয় নিয়ে কালানুক্রমিকভাবে আমার জবাব দেব।” চম্পতের দাবি, তাঁর জীবন খোলা বইয়ের মতো। তিনি বলেন, “সত্য বেরিয়ে আসবেই। প্রচারক হিসেবে আমার ৪৫ বছরের জীবন। যেখানেই থেকেছি, তা ছিল খোলা বইয়ের মতো।”

প্রসঙ্গত, প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে, মন্দিরে অনুদান গণনার সময়েই চুরি বা টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, নোটের বান্ডিল ও খোলা টাকা লুকিয়ে রাখার প্রায় ৭০টি ঘটনা শনাক্ত করা গিয়েছে। চুরির সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়ার কারণেই সহজেই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.