Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
Taj Mahal

তাজমহল আসলে ‘তেজো মহালয়’, উপাস্য ছিলেন শিব! কেন্দ্রের কাছে হলফনামা চাইল হাই কোর্ট

সম্প্রতি আইনজীবী হরি শঙ্কর জৈন এবং তাঁর কয়েকজন ভক্ত উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁদের দাবি, তাজমহলের স্থাপত্যে অন্তত ১০৯টি এমন প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ইঙ্গিত করে এটি একটি মন্দির ছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ২০:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ২০:১৬

options
link
তাজমহল আসলে ‘তেজো মহালয়’, উপাস্য ছিলেন শিব! কেন্দ্রের কাছে হলফনামা চাইল হাই কোর্ট zoom
তাজমহল মন্দির নাকি স্মৃতিসৌধ? এই প্রশ্ন আজকের নয়! ফাইল চিত্র।

তাজমহল মন্দির নাকি স্মৃতিসৌধ? এই প্রশ্ন আজকের নয়! বহুদিন ধরেই চলছে বিতর্ক। দীর্ঘদিন ধরেই তাজমহলকে কেন্দ্র করে বাতাসে ঘুরছে ‘তেজো মহালয়া’ তত্ত্ব। পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম এই তাজমহল নাকি আদতে ছিল মন্দির, সেখানে শিবের উপাসনা হত। তাজমহল কি সত্যিই আসলে ‘তেজো মহালয়? জবাব চেয়ে এবার কেন্দ্র এবং ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (আর্কিয়োলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআই)-কে হলফনামা দিতে বলল এলাহাবাদ হাই কোর্ট।

সম্প্রতি আইনজীবী হরি শঙ্কর জৈন এবং আরও কয়েকজন উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁদের দাবি, তাজমহলের স্থাপত্যে অন্তত ১০৯টি এমন প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ইঙ্গিত করে এটি একটি মন্দির ছিল। স্মৃতিস্তম্ভটি পরিদর্শন এবং সেটির ছবি ও ভিডিওগ্রাফির জন্য একজন ‘অ্যাডভোকেট কমিশনার’ নিয়োগেরও আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের যুক্তি, কেবল স্থাপত্যশৈলীর উপর নির্ভর না করে এ ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে কাঠামোটি আদতে কোনও শিব মন্দির ছিল কি না, তা নির্ধারণ করা সহজ হবে। আবেদনকারীরা তাজমহলকে একটি মন্দির হিসাবে ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, সেখানে পুজোপাঠ এবং প্রার্থনারও অনুমতি চেয়েছেন। তাঁদের যুক্তি, সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাঁদের ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তাজমহল কেন মন্দির ছিল, তার স্বপক্ষে যুক্তিও দিয়েছেন আবেদনকারীরা। স্থাপত্যগত কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা তাঁরা উল্লেখ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, তাজমহলের মূল গম্বুজের উপরের পদ্মপাপড়ির নকশা ও চূড়া স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য। এছাড়াও তাজমহলের ভিতরে একটি কাঠামোকে এএসআই-এর নথিতে ‘গোশালা’ বলেও বর্ণনা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আবেদনকারীরা। তাঁরা জানান, এ ধরনের স্থাপনা মন্দিরের সঙ্গেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। 

আবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, ‘তেজো মহালয়া’ নামে পরিচিত প্রাচীন শিব মন্দিরটি ১১৫৫-৫৬ খ্রিস্টাব্দে রাজা পরমার্দি দেব নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীতে এটি জয়পুরের রাজা মান সিং ও রাজা জয় সিংয়ের নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর মুঘল সম্রাট শাহজাহান এটিতে ইসলামি স্থাপত্যশৈলীর উপাদান যুক্ত করেন এবং তাঁর স্ত্রী মমতাজের স্মৃতিসৌধে রূপান্তরিত করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.