কুমেরুতে ৪০৩ দিন কাটিয়ে নয়া নজির ইসরোর এই মহিলা বিজ্ঞানীর

ইসরোর প্রথম মহিলা বিজ্ঞানী হিসাবে এই নজির গড়লেন মঙ্গলা মানি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০১৯, ১৭:৫৪

options
link
কুমেরুতে ৪০৩ দিন কাটিয়ে নয়া নজির ইসরোর এই মহিলা বিজ্ঞানীর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ মেরুতে ৪০৩ দিন। হিমাঙ্কের চেয়েও ৯০ ডিগ্রি কম তাপমাত্রায় মানিয়ে নেওয়া। গবেষণার কারণেই কুমেরুতে ৪০৩ দিন কাটিয়ে নয়া রেকর্ড গড়লেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর বিজ্ঞানী। ইসরোর প্রথম মহিলা বিজ্ঞানী হিসাবে নয়া নজির গড়লেন মঙ্গলা মানি। ধন্যবাদ জানালেন সহ-বিজ্ঞানীদের।

Advertisement

[সব দল চাইলে ফিরবে ব্যালট, এই প্রথম সুর নরম বিজেপির]

পরিবেশ সংক্রান্ত গবেষণার জন্য তিনি এক বছরের বেশি সময় কাটালেন অ্যান্টার্কটিকায়। ২০১৬ সালের নভেম্বর ২৩ সদস্যের একটি দল ইসরো থেকে রওনা হয়েছিল দক্ষিণ মেরুর উদ্দেশে। দলে একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন ছাপান্ন বছরের মঙ্গলা মানি। গত বছর ডিসেম্বরে দক্ষিণ মেরুর গবেষণামূলক কাজ শেষের পর দেশে ফেরে দলটি। মঙ্গলা বলেন, ‘এই অভিযান অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল।’ তাঁর কথায়, মহিলা হওয়ায় চ্যালেঞ্জটা ছিল আরও বেশি। কারণ, মহিলাদের থেকে পুরুষদের শারীরিক সক্ষমতা খানিকটা বেশি।’’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তিনি আরও বলেছেন, কুমেরুর পরিবেশ অত্যন্ত শুষ্ক। যখনই তাঁরা ক্লাইমেট কন্ট্রোল রিসার্চ সেন্টারের বাইরে যেতেন, তখন খুবই সতর্ক থাকতে হতো।’’ মঙ্গলা বলেন, অভিযানের দিনক্ষণ ঠিক হওয়ার পর শুরু হয়েছিল শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে শারীরিক প্রশিক্ষণ চলেছিল। দক্ষিণ মেরুর আবহাওয়ায় মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রথমে উত্তরাখণ্ড এবং পরে বদ্রিনাথে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। শুধুমাত্র প্যাকেটজাত খাবার খেয়েই দিন কাটিয়েছেন মঙ্গলা ও বাকি সদস্যরাও। তবে পরিবেশ যাতে দূষিত না হয়, সেদিকটিও মাথায় রাখতে হয়েছিল।

Advertisement

[বিজেপি-আরএসএসের সঙ্গে কৌরবদের তুলনা, মোদিকে জোরাল আক্রমণ রাহুলের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.