‘খেলা’ মাঠের বাইরেও হয়। ক্রীড়াক্ষেত্র ছাড়াও বৃহত্তর ক্ষেত্রে ‘খেলা’ শব্দটা ব্যাপক অর্থে ব্যবহার হয় আজকাল। কিন্তু জানেন কি, পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে ‘খেলা হবে’ চাঁদেও! শুনে অবাক হচ্ছেন? কিন্তু বিশ্বের বৃহত্তম মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এমনই লোভনীয় ঘোষণা করেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে আমেরিকার জয়রথ। যদি জাতীয় দলটি বিশ্বকাপ ছিনিয়ে আনতে পারে, তাহলে বিরাট সেলিব্রেশন! নাসা জানিয়েছে, আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে চাঁদে পাঠানো হবে বিশ্বকাপের ফুটবল ‘ট্রাইওন্ডা’! আগেই বিশ্বকাপের স্বাদ দিতে বিশেষ ফুটবলটিকে পাঠানো হয়েছিল আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে। সেখানে মহাকাশচারীরা বলটি নিয়ে নানা পরীক্ষানিরীক্ষায় মেতেছিলেন। আর আমেরিকা বিশ্বকাপ জিতলেই ‘ট্রাইওন্ডা’ দেবে চাঁদে পাড়ি।

আরও পড়ুন:
কেন ছাব্বিশের ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে নাসার এমন অভিনব পরিকল্পনা? এর আসল কারণ, মাঠে টিম আমেরিকার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। এখনও পর্যন্ত সবকটি ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোয় পৌঁছে গিয়েছে টিম রিমের দল। ২০০২ সালের পর এমন সাফল্য এই প্রথম। ২৪ বছর পর ইউরোপীয় দেশকে হারিয়ে আমেরিকা ফুটবল টিমের এত বড় সাফল্য রীতিমতো স্বপ্ন দেখাচ্ছে। এর আগে পুরুষদের ফুটবল দল কখনও বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায়নি। এবার সেই হাতছানি তাঁদের সামনে। অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশ হিসেবে মাঠে যা খেল দেখাচ্ছেন বালোগন , ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচরা, তাতে কাপটা ঘরে না এনে ছাড়বে না। এই আবহে নাসাও জাতীয় দলকে উজ্জীবীত করতে অভিনব ঘোষণা করে বসল।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নাসার প্রধান প্রশাসক জেরাড আইজ্যাকম্যান চন্দ্রাভিযানের পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ ফাইনালের ট্রফি যদি ঘরে আনতে পারে জাতীয় দল, তাহলে ফুটবলটিকে পাঠানো হবে চাঁদে। তাঁর কথায়, ‘‘জানি কাজটা কঠিন। কিন্তু করে দেখাতে হবে। ধরে নাও, এটাই তোমাদের অনুপ্রেরণা। আরও ভালো করে খেলো।” একইভাবে শুভেচ্ছা জানিয়ে টিমকে উদ্দীপ্ত করেছেন নাসার চন্দ্রাভিযানের মূল দায়িত্বে থাকা বিজ্ঞানী গার্সিয়া গালান। কারণ, আমেরিকা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলে ট্রাইওন্ডা বলটিকে তাঁরই তত্বাবধানে চাঁদে পাঠানো হবে।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নাসার প্রধান প্রশাসক জেরাড আইজ্যাকম্যান চন্দ্রাভিযানের পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ ফাইনালের ট্রফি যদি ঘরে আনতে পারে জাতীয় দল, তাহলে ফুটবলটিকে পাঠানো হবে চাঁদে। তাঁর কথায়, ‘‘জানি কাজটা কঠিন। কিন্তু করে দেখাতে হবে। ধরে নাও, এটাই তোমাদের অনুপ্রেরণা। আরও ভালো করে খেলো।” একইভাবে শুভেচ্ছা জানিয়ে টিমকে উদ্দীপ্ত করেছেন নাসার চন্দ্রাভিযানের মূল দায়িত্বে থাকা বিজ্ঞানী গার্সিয়া গালান। কারণ, আমেরিকা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলে ট্রাইওন্ডা বলটিকে তাঁরই তত্বাবধানে চাঁদে পাঠানো হবে।
নাসার এই ঘোষণার নেপথ্যে রয়েছেন ১৯৭১ সালে অ্যাপোলো ১৪-এর নভোশ্চর অ্যালান শেফার্ড। তিনি দুটি গল্ফ বল নিয়ে গিয়েছিলেন চাঁদে এবং চন্দ্রপৃষ্ঠে বেশ কয়েকবার তা খেলেনও। সেই ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চাঁদে ফুটবল পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে নাসা। তা বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের মতো চাঁদে কীভাবে গতিসূত্র কাজ করে, তা নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষাও হতে পারে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘রাজ্য সভাপতি খুঁজতে তৃণমূল সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিক’, চন্দ্রিমার ইস্তফার পর কটাক্ষ জিতেন্দ্রর
-
কাঁটাতার পেরিয়ে তামিলনাড়ুতে! ৫০ বাংলাদেশিকে ট্রেনে তুলে বাংলায় পাঠাচ্ছে বিজয় সরকার
-
গায়েত্রী মন্ত্র-আজানের মেলবন্ধনেই সুখের সংসার সোনাক্ষীর, ক্যানভাসে দিলেন ‘ধর্মপ্রেমে’র পাঠ
-
শেষ ষোলোয় খেলা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা, নেইমারের যন্ত্রণা উপলব্ধি করছেন আন্সেলোত্তি
-
মুখ্যমন্ত্রীর নামে সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর মন্তব্য! দুর্গাপুরে গ্রেপ্তার তৃণমূল কর্মী
