চিতাভস্ম

প্রিয়জনের চিতাভস্ম মহাকাশে উড়িয়ে দেওয়া যাবে, খরচ কত জানেন?

২০২১ সাল থেকেই এই পরিষেবা চালু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৯, ১৭:৫৯

options
link
প্রিয়জনের চিতাভস্ম মহাকাশে উড়িয়ে দেওয়া যাবে, খরচ কত জানেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কিছুদিন আগেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর চিতাভস্ম ছড়ানো হয়েছিল দেশের বিভিন্ন নদীতে। বিষয়টি শুনে অনেকেরই মাথাতেই এসেছিল তাঁদের প্রিয়জনদের চিতাভস্ম ছড়ানোর চিন্তা। কিন্তু, সেই স্বপ্ন সত্যি করার কোনও পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না তাঁরা। কিন্তু চেন্নাইয়ে একটি সংস্থার অভিনব উদ্যোগের জন্য তাঁদের সামনে এল আরও বড় সুযোগ। পকেট থেকে টাকা খরচ করতে সক্ষম হলে এবার প্রিয়জনদের চিতাভস্ম আকাশপানে উড়িয়ে দিতে পারবেন অনেকেই। তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাইয়ের যে সংস্থাটি এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে, তাদের নাম অগ্নিকূল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দিনের পর দিন বিদ্যুৎ চুরি, অভিযুক্তকে নজিরবিহীন শাস্তি আদালতের]

এর জন্য জলীয় অক্সিজেন ও কেরোসিন দিয়ে চালানো যাবে এরকম একটি রকেটও তৈরি করেছে তারা। এই রকেটের ইঞ্জিনটি মোট ১০০ কেজির মতো ওজন বহন করতে পারবে বলে জানা গিয়েছে। পৃথিবী থেকে প্রায় ৬০০ কিমি দূরে মহাকাশে উড়ে এটি। খুব তাড়াতাড়ি রকেটটির প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষা করা হবে। আর পাকাপাকিভাবে চালু করা হবে ২০২১ সালে। বিষয়টি চালু হলে ভারতের নাগরিকদের মধ্যে ভালই সাড়া পড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অগ্নিকূলের সিইও শ্রীনাথ রবিচন্দ্রন।

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘২০২১ সাল থেকেই এই পরিষেবা চালু করা হবে। ২০১৯ সালে স্পেসএক্স মিশনের মতোই এটি লঞ্চ করার ব্যবস্থা হয়েছে। যেখানে থাকবে ১৫২ জন মৃত ব্যক্তির চিতাভস্ম। ২৪টি বিভিন্ন স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সেগুলি বাইরে পাঠানো হবে। এমন কোম্পানি আমেরিকার মাটিতে থাকলেও ভারতে প্রথম এই ধরনের পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। অগ্নিকূলের এক একটি ক্যাপসুলে এই চিতাভস্ম রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় গোটা ব্যবস্থার জন্য খরচ পড়বে ১০ লক্ষের বেশি।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ভরসা উপগ্রহের মাধ্যাকর্ষণ, ইসরোর চন্দ্রযানকে নিজেই কাছে টেনে নিয়ে যাচ্ছে চাঁদ]

আইআইটি মাদ্রাজদের এই স্টার্টআপ কোম্পানির মূল লক্ষ্য হল, মৃতদের চিতাভস্মগুলি ছোট তিনটি রকেটে করে মহাকাশে নিয়ে গিয়ে পৃথিবার কক্ষপথ বরাবর ঘোরানো। তারপর নির্দিষ্টি সময়ে মহাকাশে পৌঁছে রকেটগুলিতে বিস্ফোরণ হবে। এর ফলে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়বে চিতাভস্ম। স্যাটেলাইটের মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রিত হবে সবকিছু।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন