Pakistan

চিনের ‘ঘাড়ে’ চেপে চাঁদে যাবে পাকিস্তান! চন্দ্রপৃষ্ঠে হাঁটবে ‘জিন্না-১’

প্রথম দেশ হিসেবে ইসরোর চন্দ্রযান নেমেছিল চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে। এবার পাকিস্তানও চায় সেখানে নামতে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১৪:৫৩

options
link
চিনের ‘ঘাড়ে’ চেপে চাঁদে যাবে পাকিস্তান! চন্দ্রপৃষ্ঠে হাঁটবে ‘জিন্না-১’
প্রতীকী ছবি।

২০২৯ সালে চাঁদে যাবে পাকিস্তান। পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহে নামবে ‘জিন্না-১’। তবে এই অভিযান আসলে পরস্মৈপদী। অর্থাৎ চিনের ঘাড়ে ভর দিয়েই মহাকাশ অভিযান করতে চায় প্রতিবেশী দেশটি। কেননা পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সুপারকো এখনও পর্যন্ত স্বাবলম্বী হয়ে কোনও উপগ্রহই পাঠাতে পারেনি। সুতরাং, নিজেদের ক্ষমতায় যে তা সম্ভব নয়, তা ভালোই জানে পাকিস্তান। এমনিতেই পরমাণু গবেষণা থেকে প্রযুক্তি- সবেতেই চিনই পাকিস্তানের ভরসা। এবার তারা ‘মেড ইন চায়না’ হয়েই মহাকাশেও পৌঁছতে চায়।

Advertisement

চন্দ্রাভিযানের ক্ষেত্রে ভারত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে প্রায় দুই দশক আগেই। কিন্তু অন্যান্য বহু ক্ষেত্রের মতোই পাকিস্তান কিছুই করে উঠতে পারেনি মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রেও। এবার চিনের সহায়তায় ২০২৯ সালে চাঁদে তাদের প্রথম চন্দ্র রোভার ‘জিন্না-১’ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। চিনের ‘চ্যাং-ই-৮’ মিশনের অংশ হিসেবে এই রোভারটি চাঁদে যাবে এবং চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এলাকায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালাবে বলে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে। রোভারের নাম পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মহম্মদ আলি জিন্নার নামে রাখা হয়েছে। চারহাজার প্রস্তাবিত নাম থেকে এই নামটিই বেছে নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সুপারকো এখনও পর্যন্ত স্বাবলম্বী হয়ে কোনও উপগ্রহই পাঠাতে পারেনি। সুতরাং, নিজেদের ক্ষমতায় যে তা সম্ভব নয়, তা ভালোই জানে পাকিস্তান।

বলে রাখা ভালো, চাঁদের দক্ষিণ মেরুর প্রতি বিজ্ঞানীদের বিশেষ কৌতূহল রয়েছে। এখানে রয়েছে স্থায়ী ছায়াঘেরা গর্ত ও বরফ আকারে জমা জল! ভবিষ্যতে মহাকাশ গবেষণা এবং পৃথিবীর বাইরে অন্যত্র দীর্ঘমেয়াদী মানব বসতি স্থাপনের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান বলেই ধরা হয় এই গবেষণা। প্রথম দেশ হিসেবে ইসরো চন্দ্রযান মিশনের মাধ্যমে ওই অঞ্চলে সফলভাবে একটি রোবটিক ল্যান্ডার ও রোভার নামাতে সমর্থ হয়। তৈরি হয় ইতিহাস। ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার গড়া সেই ইতিহাসকে সামনে রেখেই এবার একগলা ঋণে ডুবে থাকা পাকিস্তানও চায় সেখানে নামতে। তবে অবশ্যই চিনের ‘ঘাড়ে’ চেপে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.